• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি চলছে, বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে শঙ্কা আয়ারল‍্যান্ডের সঙ্গে সিরিজে সমতায় ফিরলো বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বন্দরে বেড়েছে আমদানি, নেই জাহাজ জট ঢাবিতে কাল থেকে অনলাইন ক্লাস শুরু জেলখানায় খালেদা জিয়ার খাবারে বিষ মেশানো হয়েছিলো- রিজভী ফরিদপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত শতাধিক খালেদা জিয়াকে সিঙ্গাপুর বা ইউরোপে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে-মাহমুদুর রহমান মান্না জামায়াতের নায়েবে আমির হলেন এটিএম আজহারুল ইসলাম বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনা এবি পার্টির মাজার জিয়ারত করে প্রচারণায় নামলেন মিজানুর রহমান মিনু

জামায়াতের নায়েবে আমির হলেন এটিএম আজহারুল ইসলাম

Reporter Name / ২৪ Time View
Update : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম। দলটির নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা বলেছেন, শনিবার সকালে মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার অধিবেশনে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এটিএম আজহারুল ইসলামের নাম ২০২৬-২৮ মেয়াদে নায়েবে আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করার জন্য প্রস্তাব করেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন কমিটির কার্যক্রম অনুযায়ী যেকোনো সময় এটিএম আজহারুল ইসলাম নায়েবে আমির হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন।

আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ড. মোবারক হোসেন নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক একাউন্টে লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ! মজলুম জননেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম ভাই কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মনোনীত হয়েছেন।’

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এটিএম আজহারকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে রংপুরে সংঘটিত গণহত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, নির্যাতনসহ ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড ও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়। ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। পরবর্তীতে ২০২০ সালের ১৯ জুলাই তিনি রিভিউ আবেদন করেন, যেখানে ১৪টি যুক্তি তুলে ধরা হয়। সেই সময় তিনি জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

গত বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়। এরপর চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এটিএম আজহারের আপিল শুনানির অনুমতি দেন। নিয়মিত আপিলের শুনানি শেষে ২৭ মে আদালত রায় ঘোষণা করেন, যেখানে তাকে সব অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়। প্রায় ১৩ বছর কারাবন্দি থাকার পর ২৮ মে তিনি কারামুক্ত হন এবং মুক্তির পর তাকে নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করে জামায়াত।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।