• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের দৈনিক মজুরি শ্রমিকদের বিক্ষোভ

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধিসহ নানা দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন।

আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে নগর ভবনের সামনে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করে নগর ভবনের সামনে অবস্থান নেন।

বিক্ষোভ চলাকালে তারা সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেন। শ্রমিকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মজুরি বৃদ্ধির দাবি জানানো হলেও কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না; বরং বিষয়টি নানা অজুহাতে এড়িয়ে যাচ্ছেন।

বর্তমানে দৈনিক মজুরি ৪৮৪ টাকা— যা দিয়ে সংসার চালানো সম্ভব নয় বলে অভিযোগ করেন শ্রমিকরা। তারা জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রমিকরা দৈনিক ৭৫০ টাকা পান, অথচ সিটি কর্পোরেশনের শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

শ্রমিকরা দ্রুত তাদের দৈনিক মজুরি ৭৫০ টাকায় উন্নীত করার দাবি জানান। তারা বলেন, “বর্তমান বেতনে সংসার চলে না, সন্তানদের লেখাপড়ার খরচও মেটানো যাচ্ছে না।”

বিক্ষোভে সিটি কর্পোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডের অন্তত আড়াই হাজার শ্রমিক অংশ নেন। দাবি পূরণ না হলে তারা লাগাতার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

শ্রমিকদের দাবিগুলো হলো —

১. সকল শ্রমিক-কর্মচারীর সর্বনিম্ন মাসিক বেতন ২২,৫০০ টাকা কার্যকর করতে হবে।
২. রাষ্ট্র ঘোষিত দৈনিক ৭৫০ টাকা মজুরি প্রদান করতে হবে।
৩. প্রতিবছর নির্ধারিত উৎসব ভাতা প্রদান করতে হবে।
৪. বেতন প্রতি মাসের ৩ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
৫. শ্রমিকদের অভিযোগ থাকলে তা লিখিতভাবে গ্রহণ ও সমাধান করতে হবে; একই অভিযোগ থাকলে অন্যত্র বদলি করা যাবে, কিন্তু চাকরিচ্যুতির হুমকি দেওয়া যাবে না।
৬. অবসর গ্রহণের সময় বিদায় সম্মান প্রদান করতে হবে।
৭. নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করে অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ী করতে হবে।

শ্রমিকরা জানান, তাদের যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত করা হবে


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।