• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

এই দেশে ধর্ম ও চেতনার ব্যবসা আর চলবে না-সালাহউদ্দিন আহমেদ

Reporter Name / ৯০ Time View
Update : রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ এই দেশে ধর্ম নিয়ে রাজনৈতিক ব্যবসা চলবে না। এই দেশে চেতনার ব্যবসাও আর চলবে না।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লায় বিএনপির কাউন্সিলে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘যারা জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে তারা ধর্ম ব্যবসায়ী। এই দেশে ধর্ম নিয়ে রাজনৈতিক ব্যবসা চলবে না। একাত্তরের চেতনার ব্যবসা করতে করতে শেখ হাসিনা শেষ পর্যন্ত দিল্লিতে আশ্রয় নিয়েছে। আমরা বলি শেখ হাসিনার রাজনীতির মৃত্যু হয়েছে ঢাকায় আর দাফন হয়েছে দিল্লিতে। জুলাই চেতনা যেন কেউ বিক্রি করতে না পারে।’

আওয়ামী লীগের আমলে দেশে উন্নয়নের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে উল্লেখ করে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিদেশে পাচার হয়েছে ২৯ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। ২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে। মেগা প্রকল্পের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে। বাংলাদেশের লোনের একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল। ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়া করে দেওয়া হয়েছে। দশ হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতু প্রকল্প ৪০ হাজার কোটি টাকায় সম্পন্ন হয়েছে।’

দেশের মানুষ এখন নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বলে মনে করেন সালাহউদ্দিন, ‘অনেক রক্ত এবং ত্যাগের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র মুক্ত হয়েছে। এখন আমাদের একটাই লক্ষ্য দেশে সুষ্ঠু অবাধ নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটি গণতান্ত্রিক কাঠামো তৈরি করা। আমরা সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি।  আমরা এখনো প্রতিনিয়ত সংগ্রামের মধ্যদিয়ে যাচ্ছি। কেউ কেউ বলছে সংস্কার না হলে নির্বাচন হবে না। এটা না হলে ওটা না হলে নির্বাচন হবে না। কিন্তু দেশের মানুষ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত।’

তিনি বলেন, ‘ভাষণে আর আশ্বাসে আমরা সীমাবদ্ধ থাকবো না। আমরা ভাষণের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসব। মানুষ এখন ভাষণ আর শোষণের সংস্কৃতি বিশ্বাস করে না। আমাদের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। মিসইনফরমেশন এর জবাব দিতে হবে। নেতাকর্মীদেরকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাক্টিভ থাকতে হবে। অপতথ্য এবং মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে কেউ যেন জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করতে না পারে। তরুণ বন্ধুদের সোচ্চার থাকতে হবে।‘


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।