• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

জাতিসংঘে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে সন্তুষ্ট দেশের রাজনৈতিক দলগুলো

Reporter Name / ৮৮ Time View
Update : শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণে সন্তুষ্ট দেশের রাজনৈতিক দলগুলো। অধিবেশনে উপস্থিত দেশের শীর্ষ নেতারা একদিকে যেমন ভাষণের প্রশংসা করেছেন, তেমনি নির্বাচনি সংস্কার ও পরিবেশ তৈরির দাবিও উঠেছে স্পষ্টভাবে।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য ঘিরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দেখা গেছে এক ব্যতিক্রমী সুর। ভাষণে নির্বাচনি রোডম্যাপ স্পষ্টভাবে উঠে আসায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে বিএনপি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে ভাষণটি অত্যন্ত জোরালো ছিল।’

মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা উপলব্ধি করছিলাম যে আওয়ামী লীগ যে অবস্থায় দেশকে নিয়ে গিয়েছিল সে অবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন ছাড়া, একদিকে রাষ্ট্রের কাঠামো পরিবর্তন অন্যদিকে রাজনৈতিক পরিবর্তন ছাড়া এই দেশকে আবার পরিবর্তন করা কষ্ট হবে। সেটাই প্রধান উপদেষ্টা জাতিসংঘের সামনে তুলে ধরলেন। এ ব্যাপারে আমাদের অন্তত সংশয় নেই।’

এদিকে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকেও এসেছে ইতিবাচক সাড়া। দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, ‘নির্বাচনের আগে জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন এবং দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদে পিআর পদ্ধতি চালু করাই এখন সময়ের দাবি।’

আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, ‘নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে করার ব্যাপারে কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু তার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সমাধান করা দরকার।’

একই সুর শোনা গেছে এনসিপির পক্ষ থেকেও। দলটির নেতা আখতার হোসেন জানান, কেবল নির্বাচন নয়, তার আগে সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করাই বড় চ্যালেঞ্জ। দলের শীর্ষ নেতা আখতার হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনের আগে বাস্তব সংস্কার ছাড়া জনগণের আস্থা ফিরে আসবে না।’

আখতার হোসেন বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে সেটাকে আমরা ইতিবাচক হিসেবেই দেখি। কিন্তু তার আগে সংস্কার কাজগুলো সমাপ্ত করা হয়। তাহলে আরও গোছানোভাবে নির্বাচনের দিকে যাওয়া সম্ভব হবে।’

এই তিন দলের এই তিন শীর্ষ নেতারাই উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে। সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের এক ঐক্যবদ্ধ বার্তা।

নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর এই ঐকমত্য ও আন্তর্জাতিক আয়োজনে উপস্থিতি যদি মাঠের আগামীর রাজনীতিতেও প্রতিফলিত হয়, তাহলে গণতন্ত্র আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে, এমনটাই বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।