• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

রাবিতে পোষ্য কোটা পুনর্বহাল ও শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলার বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা

Reporter Name / ১২৪ Time View
Update : সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পোষ্য কোটা পুনর্বহাল ও শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলাকারীদের বিচার দাবিতে কমপ্লিট শাটডাউনের মধ্যেই মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। এতে সকল অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

মানববন্ধনে প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা (পোষ্য কোটা) ও শিক্ষক লাঞ্ছনার সঙ্গে জড়িত ছাত্রদের ছাত্রত্ব বাতিলসহ লাঞ্ছনার সঙ্গে জড়িত প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিও জানান তারা। এছাড়া দাবি না মানা পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এ সময় ইউট্যাব রাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা যদি এর (শিক্ষক লাঞ্ছনা) সুষ্ঠু বিচার না করতে পারি, তাহলে ভবিষ্যতে আমাদেরও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে। আমাদের দাবি হলো চিহ্নিত এই সন্ত্রাসীদের (লাঞ্ছনায় জড়িতরা) স্থায়ী বহিষ্কার এবং যাদের ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে, তাদের সনদ বাতিল করতে হবে। এ ছাড়া যারা রাকসু নির্বাচনে প্রার্থী আছে, তাদের প্রার্থিতা বাতিল করতে হবে।

অফিসার্স সমিতির সভাপতি মোক্তার হোসেন বলেন, এই প্রশাসন ৯ মাসে অনেক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যার একটিও আলোর মুখ দেখেনি। আমরা আর তদন্ত কমিটিতে ক্ষান্ত থাকতে চাই না। বিচার নিশ্চিত করেই ঘরে ফিরব।

শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের পরিচালক রোকসানা বেগম বলেন, আমরা আজ ছাত্রদের কর্তৃক আমাদের উপ-উপাচার্যসহ শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মারধর ও লাঞ্ছনার প্রতিবাদে এখানে দাঁড়িয়েছি ৷ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এ রকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। যদি বিচার করা না হয়, তাহলে আরও ভয়াবহ কিছু ঘটবে।

এদিকে সরেজমিন দেখা যায়, প্রশাসন ভবনে উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মাঈন উদ্দীনের দপ্তরসহ সব দপ্তর তালাবদ্ধ রয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে চিকিৎসা, পরিবহনসহ জরুরি সেবাসমূহ কর্মসূচির আওতামুক্ত রয়েছে।

এর আগে গতকাল রোববার শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেন। পরে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম ও অফিসার্স সমিতি কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করে। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী তারা এ অবস্থান ও মানববন্ধন পালন করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।