• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

রাকসু নির্বাচনেও প্রার্থী হলেন এক দম্পতি

Reporter Name / ৯৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ আসন্ন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে প্রার্থী হলেন হাবিব-সানজিদা দম্পতি। স্বামী-স্ত্রী একসাথে প্রচারণা দৃষ্টি কেড়েছে শিক্ষার্থীদের। ডাকসু, জাকসুতে জয়ী দম্পতির মতো রাকসুতেও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তারা।

জানা গেছে, মো. হাবিবুর রহমান (হাবিব) বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি লড়ছেন কেন্দ্রীয় সংসদে নির্বাহী সদস্য পদে। অন্যদিকে সানজিদা ইসলাম পড়াশোনা করছেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষে। তিনি লড়ছেন মন্নুজান হল সংসদে সাহিত্য ও বির্তক সম্পাদক পদে।

কেন তারা ক্লাসরুম এবং সংসার সামলানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দিতে চান এমন প্রশ্নের জবাবে সানজিদা ইসলাম বলেন, আমরা অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন ক্লাব-সংগঠনের সাথে যুক্ত আছি। সামাজিক-সাংস্কৃতিক জগতে আমাদের অবাধ বিচরণ রয়েছে। বন্ধু-বান্ধব, সিনিয়র-জুনিয়রদের অনুপ্রেরণা আমাদেরকে এ পথে অগ্রসর হতে আগ্রহী করেছে। সে জায়গা থেকে নিজেদের যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা অনুসারে শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু করতে পারব এই আত্মবিশ্বাস থেকেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা।

এ বিষয়ে হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা দু’জন আসলে নির্বাচনে দুই পদে প্রার্থী হচ্ছি। কারণ আমাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দুটি ভিন্ন জায়গায়। ১৯ নম্বর ব্যালট নিয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য আমি এবং ১ নম্বর ব্যালট নিয়ে আমার স্ত্রী মন্নুজান হল সংসদে বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন। আমরা গত তিন বছর ধরে ক্যাম্পাসে আছি। আগের অভিজ্ঞতা ও ক্যাম্পাস জীবনের বাস্তবতা মিলিয়ে মনে হয়েছে, এই দুটি পদে আমরা দুজনই সেরা সেবা দিতে পারব।

নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো সংকট বা বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় সংকট হলো— অনেক লম্বা ছুটির মাঝখানে নির্বাচন হওয়ায় অনেক আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থী বাসায় চলে যাবে। এটা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য নিঃসন্দেহে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এখন পর্যন্ত আমরা বুলিংয়ের শিকার বা নেতিবাচক কিছু লক্ষ করিনি বরং প্রচুর অনুপ্রেরণা পাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ আমরা জয়ী হয়ে ফিরব বলে আশাবাদী।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।