• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

রাকসু নির্বাচন-৬ দফা দাবি রাবি ছাত্রদলের

Reporter Name / ১০৮ Time View
Update : বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে ৬ দফা দাবি জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, রাবি শাখা।

আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় রাকসু কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি দেন তারা।

তাদের দাবিগুলো হলো-
১. ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বছতা বজায় রক্ষার্থে অবশ্যই ‌‘স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স’ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

২. ভুয়া ও জাল ভোট শনাক্তের জন্য বাধ্যতামূলক ‘ছবি যুক্ত ভোটার’ তালিকা প্রদান করতে হবে।

৩. ডিজিটাল কারচুপি ও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রভাব প্রতিরোধ করতে হলে অবশ্যই ‘ম্যানুয়াল পদ্ধতি’ এর মাধ্যমে ভোট গণনা করতে হবে।

৪. ভোট চলাকালীন সময়ে ভোট প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত বৈধ কার্ড/পাশধারী ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কাউকে ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটার এর মধ্যে ঢুকতে দেয়া যাবে না। এমনকি ভোটার লাইন ব্যতীত এলোমেলো ভাবে কোন বৈধ ভোটার/ভোটারগণ একত্রিত হয়ে যেন জটলা সৃষ্টি না করে সেজন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করতে হবে।

৫. লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় রাখার স্বার্থে, নির্বাচনে অবৈধ কালো টাকার প্রভাব প্রতিরোধ করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

৬. সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতেই সকল প্রার্থীর জন্য একই আচরণ বিধিমালা মেনে চলার বিষয়টি মনিটরিং করতে হবে।

স্মারকলিপি প্রদানের পর সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী শেখ নূর উদ্দিন আবীর বলেন, এ দাবিগুলো শুধু ছাত্রদলের না আমরা সকল প্যানেল, সকল প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে দাবিগুলো জানিয়েছি। নির্বাচন কমিশন আমাদের আশ্বাস দিয়েছে তারা স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোট গ্রহণ করবে। আর ম্যানুয়ালি ভোট গনণার যে বিষয়টা সেটা সময়সাপেক্ষ বিষয় হলেও জনবল বেশি হলে তা করা সম্ভব হবে। আমরা আশা রাখছি সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম বলেন, ছাত্রদল যে দাবি জানিয়েছে তা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১টি দাবি ব্যতিত বাকি দাবিগুলো নির্বাচন কমিশন অ্যাড্রেস করবে। ১টি দাবি যেটা তারা করেছে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট কাউন্ট করা সেটা আসলে অনেক দূরহ ব্যাপার, অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার। তার প্রমাণ আমরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখেছি। আর বাকি যে দাবিগুলো তারা দিয়েছে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা নির্বাচন কমিশন অত্যান্ত আন্তরিক এই দাবিগুলো অ্যাড্রেস করতে।

তিনি আরও বলেন, আমরা স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বাকি দাবিগুলো নিয়েও আমরা কাজ করবো ইনশাআল্লাহ। আমরা আশা রাখছি সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।