• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাজশাহী-ঢাকা রুটে বাস চলাচল বন্ধ

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update : সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাজশাহীতে বাস শ্রমিকদের ডাকা কর্মবিরতিতে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

ন্যাশনাল ট্রাভেলস, দেশ ট্রাভেলস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, গ্রামীণ ট্রাভেলস এবং শ্যামলী ট্রাভেলসের শ্রমিকরা এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা থেকে এ কর্মবিরতি শুরু হয়, যা সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালেও অব্যাহত ছিল।

রাজশাহীর শিরোইল বাস টার্মিনালের ঢাকাগামী বাস কাউন্টারগুলোতে ন্যাশনাল, দেশ, হানিফ, গ্রামীণ ও শ্যামলীর বাস চলাচল বন্ধ থাকলেও একতা পরিবহনসহ কয়েকটি লোকাল বাস এখনও চলাচল করছে।

এক যাত্রী বলেন, হঠাৎ করে বাস বন্ধের খবর পেয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছি। দুপুরে কাউন্টারে এসে দেখি সব বাস বন্ধ। অন্য যেসব বাস চলছে, সেগুলোর টিকিটও পাওয়া যাচ্ছে না।

দুপুর ১২টার দিকে শ্রমিকরা শিরোইল বাসস্ট্যান্ডে মানববন্ধন করেন এবং বেতন বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দেন। তাদের অভিযোগ, বর্তমানে একটি আপ-ডাউন ট্রিপে চালক পান মাত্র ১২০০ টাকা, হেলপার ৬০০ টাকা এবং সুপারভাইজার স্বল্প বেতন পান। এছাড়া তিনজন স্টাফের খাওয়াদাওয়ার জন্য দেওয়া হয় মাত্র ১০০ টাকা, যা খুবই কম।

শ্রমিকদের দাবিগুলো হলো, একটি আপ-ডাউন ট্রিপে চালকের বেতন ২০০০ টাকা করতে হবে, সুপারভাইজারের বেতন ১১০০ টাকা এবং হেলপারের বেতন ১০০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে, খাবারের জন্য জনপ্রতি ১০০ টাকা ও হোটেল ভাড়া বাবদ ২০০ টাকা দিতে হবে, প্রতিবছর বোনাসেরও দাবি তাদের।

বাসচালক লিটন বলেন, আমাদের বেতন এত কম যে মাসে এক কেজি গরুর মাংস খেতেও কষ্ট হয়। সন্তানদের পড়ালেখা করাবো কীভাবে?

ন্যাশনাল ট্রাভেলসের হেলপার রেজা বলেন, একটি ট্রিপে আমি পাই ৬০০ টাকা, খরচ বাদ দিয়ে হাতে থাকে ৪০০ টাকা। মাসে সর্বোচ্চ ১৪টা ট্রিপ করলে আয় হয় মাত্র ৫৬০০ টাকা। এ টাকায় সংসার চালানো খুব কষ্টকর।

শ্রমিকরা জানান, একতা পরিবহনের বেতন তুলনামূলক বেশি হওয়ায় তাদের বাস চলাচল অব্যাহত রয়েছে।

ন্যাশনাল ট্রাভেলসের চালক আলী হোসেন অভিযোগ করে বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমাদের ১১০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। গত ২৩ আগস্ট বাস বন্ধ করলে মালিকপক্ষ বেতন বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছিল, কিন্তু এখনও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

এ বিষয়ে মালিকপক্ষ জানিয়েছে, শ্রমিকদের দাবির বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখি বলেন, শ্রমিকরা ন্যায্য বেতনের দাবিতে আন্দোলন করছেন। মালিকরা মাত্র ১০০ টাকা বাড়াতে চেয়েছেন, যা শ্রমিকরা মেনে নেয়নি। আমরা মালিকদের সঙ্গে আবারও আলোচনায় বসবো এবং দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে কথা বলবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।