• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

ধলাই নদীর ঢলে শতাধিক ঘরবাড়ি প্লাবিত ও বেশ কিছু বাড়িঘর ধসে পড়েছে

Reporter Name / ৯১ Time View
Update : সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী কুরমা চা বাগানে ভারত থেকে নেমে আসা ধলাই নদীর পানি আকস্মিক বৃদ্ধি পেয়ে বন্যার সৃষ্টি হয়ে শতাধিক বাড়ি-ঘর প্লাবিত ও বেশ কিছু বাড়িঘর ধসে পড়েছে। এতে লোকজন অসহায় হয়ে পড়েছেন। গতকাল (রোববার, ৭ সেপ্টেম্বর)  উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়।

অনেক মানুষ ঘুমের মধ্যে থাকায় কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাদের বাড়িঘরে পানি উঠে যায়। বাগানের বেশিরভাগ ঘরই মাটি দিয়ে তৈরি থাকায় পানি উঠে যাওয়ার পর তা ধসে যায়। অনেকে ঘরবাড়ি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অনেকের ঘরের আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে গেছে।

স্থানীয়দের মধ্যে একজন বলেন, ‘সরকারের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাইনি। এভাবে গত বছরও পানি উঠে ঘরবাড়িসহ মূল্যবান জিনিষপত্র নষ্ট হয়। তবে দুপুরের দিকে নদীর পানি কমে যাওয়ায় বন্যার পানিও কমতে থাকে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার বন্যায় ঘরবাড়ি নষ্ট হয়ে গেছে।’

ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের অনেকেরই বাগানে কাজ নেই, এক ঘরে আট থেকে দশজন বসবাস করেন। তাদের ঘরটি ভেঙ্গে পড়ায় খুবই অসহায় হয়ে পড়েছেন।

তারা জানান, গত বছরও বন্যায় তাদের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে গেলেও সরকারি কোনো সহযোগিতা পান না। বাগানের মানুষ হওয়াতে অনেকেই সহযোগিতা করেন না। কিছু কিছু মানুষ ব্যক্তি উদ্যোগে কিছু খাদ্য সহযোগিতা করলেও কোনো কাজে আসে না।

বাগান পঞ্চায়েতের সভাপতি নারোদ পাশি বলেন, ‘বাগানের প্রায় দুই শতাধিক ঘরবাড়িতে পানি উঠে নষ্ট হয়ে গিয়েছে।’

তবে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাখন চন্দ্র সূত্রধর জানান, প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।