• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিক্ষার্থী হাতাহাতি, বহিরাগতসহ আহত ৪

Reporter Name / ১১৪ Time View
Update : রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (রাকসু) ভোটার তালিকায় প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রদলের দফায় দফায় ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে বহিরাগতসহ আহত হয়েছেন অন্তত চারজন।

জানা গেছে, আজ (রোববার, ৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আসন্ন রাকসু নির্বাচনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিল রাবি শাখা ছাত্রদল।

এ সময় তারা ‘জিয়ার সৈনিক, এক হও লড়াই করো’, ‘প্রথমবর্ষের ভোটাধিকার, ছাত্রদলের অঙ্গিকার’, ‘রাকসু আমার অধিকার, তুমি কে বাদ দেওয়ার’, ‘ছাত্রদলের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘প্রথম বর্ষের ভোটাধিকার, দিতে হবে দিতে হবে’, ‘রাকসু ফি দিয়েছি, ভোটার হতে চেয়েছি’, ‘রাকসু নির্বাচনে, প্রথমবর্ষ ভোট দিবে’, ‘প্রথমবর্ষের ভোটাধিকার, ফকির কে কেড়ে নেওয়ার’—স্লোগান দেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে নেতাকর্মীরা জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-রাকসু নির্বাচনে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করার শামিল। আমরা চাই নির্বাচন কমিশন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে সকলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেবে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের এ দাবি মেনে না নেয়া হবে ততক্ষণ পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে।

বেলা ১১টার দিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধের মুখে পড়ে ছাত্রদল। এ সময় দফায় দফায় উভয়পক্ষের মাঝে স্লোগান-পাল্টা স্লোগান, ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তিতে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। দুপুর ২টায় পর্যন্ত থেমে থেমে এ উত্তেজনা পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে রাকসুর কোষাধ্যক্ষ ও প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রফেসর সেতাউর রহমান বলেন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দিয়েছে। চেয়ার-টেবিল ভাঙ্গচুর করেছে। তারা ভায়োলেন্স ঘটানোর চেষ্টা করছে। প্রশাসনকে অবহিত করেছি। এ বিষয়ে তারা ব্যবস্থা নিবে। আজ মনোনয়ন ফরম বিতরণের শেষ দিন, তারা এমন করলে হয়তো মনোনয়ন ফরম বিতরণে সমস্যা সৃষ্টি হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।