• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

ইসরায়েলের হামলায় ইয়েমেনের ‘প্রধানমন্ত্রী আহমেদ আল-রাহাভি’ নিহত

Reporter Name / ১৪৫ Time View
Update : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ ইয়েমেনের রাজধানী সানার একটি অ্যাপার্টমেন্টে ইসরাইলি বিমান হামলায় ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের প্রধানমন্ত্রী আহমেদ আল-রাহাভি নিহত হয়েছেন বলে আল-জুমহুরিয়া টেলিভিশন জানিয়েছে। আদেন আল-গাদ পত্রিকা জানায়, রাহাভির সঙ্গে তার বেশ কয়েকজন সহযোগীও প্রাণ হারিয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ হামলাটি ছিল সানার বাইরে হুথি সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ প্রায় ১০ জন শীর্ষ মন্ত্রীর ওপর চালানো আরেকটি আক্রমণের বাইরে আলাদা অভিযান। ওই বৈঠকে হুথি নেতা আবদুল মালিক আল-হুথির ভাষণ শোনার কথা ছিল।সেই হামলার ফলাফল এখনো পরিষ্কার নয়।

ইসরায়েলি চ্যানেল কান জানায়, রাহাভি এক বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন, তবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাননি। অন্যদিকে এন টুয়েলভের খবরে বলা হয়, তিনি ইরান ও হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন এবং সরাসরি ইসরাইলের বিরুদ্ধে আক্রমণের অনুমোদন দিয়েছিলেন।

আরব গণমাধ্যমগুলো জানায়, সানায় প্রায় ১০ দফা হামলা চালানো হয়েছে। ইয়েমেনি সূত্রের বরাতে কান আরও জানায়, প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের ভেতরেও হামলা চালিয়ে হুথি সরকারের কয়েকজন নেতাকে হত্যা করা হয়েছে।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সেনারা সানায় হুথিদের শাসন ও সামরিক কাঠামোর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ ও সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির হামলার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে অভিযান অনুসরণ করেন।

এ আক্রমণের আগে বৃহস্পতিবার হুথিরা ইসরাইলের দিকে দুটি ড্রোন ছোড়ে, যা আইডিএফ ভূপাতিত করে। এছাড়া রোববার সানায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও বিদ্যুৎকেন্দ্রেও ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়।

কাটজ সতর্ক করে বলেন, ‘অন্ধকারের পর আঘাত আসে প্রথম সন্তানদের ওপর। যে কেউ ইসরাইলের বিরুদ্ধে হাত তুলবে, তার হাত কেটে ফেলা হবে।’

২০২৩ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে ইয়েমেনের হুথিরা ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে আসছে। তবে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত কোনো হামলায় ইসরাইলে প্রাণহানি ঘটেনি। একইসঙ্গে ইসরাইলি পাল্টা হামলাও এখনো পর্যন্ত হুথিদের হামলা পুরোপুরি থামাতে সক্ষম হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।