• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

নির্বাচনের তারিখ ঘোষণায় উপদেষ্টা পরিষদের কোনো কোনো সদস্যের মন খারাপ

Reporter Name / ১৬৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর হাফিজ উদ্দিন বলছেন, নির্বাচন দেওয়ায় (তারিখ ঘোষণা করায়) উপদেষ্টা পরিষদের কোনো কোনো সদস্যের মন খুবই খারাপ। কিছুদিন আগে প্রফেসর ইউনূস আমাদের নেতা তারেক রহমানের সাথে লন্ডনে বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকে তিনি ওয়াদা করেছিলেন যে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেবেন। তিনি তার কথা রেখেছেন।

বুধবার (৬ আগস্ট) বিকেলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহী মহানগর ও জেলা বিএনপির আয়োজনে পথ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠন এই কর্মসূচি পালন করেছে। এই বিজয় দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রাম করে আমরা অর্জন করেছি। গত বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে তাজাপ্রাণ ঝড়ে গিয়েছে। আমরা অনেকেই ধারণা করেছিলাম। শেখ হাসিনার ভয়াবহ মাফিয়াতন্ত্র যুগের পর যুগ ধরে চলবে। যে ধরনের অত্যাচার নির্যাতন শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে করেছে এক কথায় অকল্পনীয়। পৃথিবীর অন্যতম নিষ্ঠুরতম শাসক ছিল শেখ হাসিনা। বহু মানুষকে গুম করেছে, খুন করেছে। হাজার হাজার কোটি কোটি ডলার বিদেশে পাচার করেছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রকৃত অর্থে আমরা একটি গণআন্দোলন গড়ে তুলেছিলাম। এই আন্দোলনে বিএনপির ৫০০ কর্মী শহীদ হয়েছেন। এই আন্দোলনকে অর্থবহ করে তুলতে হবে। যখন অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এক ধরনের উপদেষ্টা তারা বলার চেষ্টা করছে যে তারা ৫ বছরের জন্য এখানে এসেছে। কেউ কেউ বলার চেষ্টা করেছে ইউনূস সাহেবের সরকার যতদিন দরকার চলুক। আর নির্বাচিত সরকারের কোনো প্রয়োজন নেই। তাদের কারও কারও মতে রাজনৈতিক দলসমূহ এই দেশকে ধ্বংস করেছে সুতরাং তাদের আর রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, আমরা বিএনপি জনগণের ভোটে ৪ বার ক্ষমতায় গিয়েছি। আমরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কখনই উদগ্রিব ছিলাম না। কিন্তু বাংলাদেশের মতো একটি দেশে যদি জনগণের নির্বাচিত সরকার না থাকে তাহলে এই দেশের উন্নয়ন হবে না। ১৯৭১ সালে মেজর জিয়াউর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে আমরা সারা দেশে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিলাম।

এসময় রাজশাহী জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।