• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

সিরিজ জয়ের আশায় পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে টাইগাররা

Reporter Name / ১৬৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ দীর্ঘ ৯ বছরের অপেক্ষার পর পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে জয়ের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ। এবার সিরিজ নিশ্চিতের অপেক্ষা। আজ (মঙ্গলবার, ২২ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুই দল।

ঘরের মাঠে আরও একবার দুর্দান্ত বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অধরা জয়টা পেয়েছে সিরিজের প্রথম ম্যাচে। এবার সিরিজ নিশ্চিতের বড় পরীক্ষা বাংলাদেশ দলের সামনে। সবশেষ ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের সাফল্য এসেছিল টাইগারদের। সেটাও এই মিরপুরের শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে। সেই হিসেবে বাংলাদেশের সামনে আজ ১০ বছরের পুরাতন স্মৃতি ফেরানোর হাতছানি। সিরিজ নিশ্চিতের ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টায়।

প্রথম ম্যাচটায় বাংলাদেশ জয় পেয়েছিল বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কল্যাণে। তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমানরা পাকিস্তানের ব্যাটারদের কড়া পরীক্ষাই নিয়েছিলেন। সেটাই জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল পুরোপুরি। ব্যাট হাতে বাকি কাজটা শেষ করেছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহীদ হৃদয়রা। দ্বিতীয় ম্যাচেও এমনই একটা দলগত পারফরম্যান্সই সবার কাছ থেকে চাইবেন অধিনায়ক লিটন কুমার দাস।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচের আগেও পূর্ণ শক্তির দলই পাচ্ছেন কোচ ফিল সিমন্স। অধিনায়ক লিটন এই ম্যাচ দিয়েই স্পর্শ করতে পারেন মাইলফলক। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং সাকিব আল হাসানের পর তৃতীয় বাংলাদেশি অধিনায়ক হিসেবে টানা দুই টি-টোয়েন্টি সিরিজ জেতার সুযোগ তার সামনে। এখন পর্যন্ত নেতৃত্বের প্রশ্নে পাস মার্ক পাওয়া লিটন আজকের ম্যাচে নিশ্চিতভাবেই জয় পেতে চাইবেন।

সাদা বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশ পাকিস্তানের বিপক্ষে সবশেষ সিরিজ জয় পেয়েছিল ১০ বছর আগে। ওয়ানডে ফরম্যাটে দুই দল এর মাঝে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না খেললেও টি-টোয়েন্টিতে একে অন্যের চেনা প্রতিপক্ষ। আর তাতে বাংলাদেশের সুখস্মৃতি অনেকটাই সীমিত। মিরপুরের সবুজ গালিচায় বাংলাদেশের সামনে আজ অবশ্য পুরাতন সেসব পরিসংখ্যান বদলে দেয়ার সুযোগ। সেটা লিটন-মেহেদিরা কতটা কাজে লাগাতে পারেন, তা সময়ই বলে দেবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।