• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

৯ বছর পর পাকিস্তান বধ, আত্মবিশ্বাসে উড়ছে বাংলাদেশ

Reporter Name / ১৪০ Time View
Update : সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ একটা জয় কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, তা বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের মধ্য দিয়েই প্রকাশ পায়। ৯ বছর পর পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারানোর আনন্দে ঠিক যেন নতুন ইতিহাস লিখলো বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে বহুল প্রতীক্ষিত জয় ধরা দিলো মিরপুরে। ৭ উইকেটের সহজ জয়ে শুধু সিরিজে এগিয়েই গেলো না লিটন-তাসকিনরা, তারা ফিরে পেলো আত্মবিশ্বাস।

টাইগার ক্রিকেটের নতুন অধ্যায়ে সেই পুরানো প্রতিপক্ষ পাকিস্তান, মাসখানেক আগেই যাদের বিপক্ষে রয়েছে হোয়াইটওয়াশের গ্লানি। যদিও সেটি ছিল পাকিস্তানের মাটিতে। তবে এবার ঘরের মাঠে বলেই কি না শুরু থেকেই চোয়ালবদ্ধ খেলোয়াড়রা।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে খেলার শুরু থেকেই যেন বাংলাদেশের অনুকূলেই ছিল সবসময়। গ্যালারিভর্তি দর্শকের সামনে টস ভাগ্য এসেছে লিটনের পক্ষেই। এক বছরেরও বেশি সময় পর হোম অফ ক্রিকেটে ফিরে শুরুতেই যেন বোলারদের পরখ করে নিতে চাইলেন ক্যাপ্টেন লিটন দাস।

অধিনায়কের সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করতে প্রথম ওভার থেকেই আক্রমণাত্মক বোলাররা। যদিও তৃতীয় বলেই সহজ ক্যাচ ছেড়ে হতাশায় ডোবান তাসকিন। তবে পরের ওভার থেকেই শুরু ম্যাজিক।

তাসকিন-মুস্তাফিজ-তানজিম সাকিবের বলগুলো যেন একেকটি আগুনের গোলা। সেই সঙ্গে মেহেদির স্পিনঘূর্ণিতে কুপোকাত পাকিস্তানের টপ অর্ডার। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগেই সাজঘরে চার পাকিস্তানি ব্যাটার।

সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। কাটার মাস্টার মুস্তাফিজের কাটার আর তাসকিনের গতির সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে তিন বল বাকি থাকতেই ১১০ রানে গুটিয়ে যায় সফররতরা। মুস্তাফিজ দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কিপ্টে বোলিং করে চার ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে নিয়েছেন দুই উইকেট।

জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল একেবারেই নড়বড়ে। আগের সিরিজেই লঙ্কাদ্বীপে ঝড় তোলা তানজিদ তামিম ও লিটন দাস এদিন শুরুতেই দেখেন প্যাভিলিওনের পথ। যখন আবারো সহজ ম্যাচ হারের শঙ্কার আকাশে কালোমেঘের ঘনঘটা, ত্রাতা তখন পারভেজ ইমন ও তাওহিদ হৃদয়।

পাল্টা আক্রমণে দুই ছক্কা দিয়ে শুরু করেন হৃদয়। এরপর এক প্রান্ত আগলে রাখা পারভেজ হোসেন ইমন যেন একাই দর্শকের ভূমিকায় দাঁড় করিয়ে দেন পাকিস্তানকে।

দু’জনের ৭৩ রানের জুটিতে জয়ের ভিত গড়ার পর হৃদয় বিদায় নিলেও বাকি সময় ইমনকে সঙ্গ দেন জাকের আলী অনিক। ৩৯ বলে ৫৬ রানের ঝড়ো ইনিংসে ছক্কার বৃষ্টি নামিয়ে ৭ উইকেটের সহজ জয় এনে দেন দলকে।

এ জয়ে কেবল সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়েই গেলো না বাংলাদেশ, ভাঙলো দীর্ঘ অপেক্ষার প্রাচীর। ২০১৬ সালের পর এই প্রথম টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে পাকিস্তানকে হারাল টাইগাররা। সেই সঙ্গে জয়ের আত্মবিশ্বাসটাও যেন নতুন করে ফিরে পেলো টিম বাংলাদেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।