• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

মহিলাদলের প্রভাব খাটিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের অভিযোগ

Reporter Name / ১৮৬ Time View
Update : রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে নগরীর মেহেরচন্ডী দক্ষিণপাড়ায় মহিলাদলের প্রভাব খাটিয়ে নয়ন কসমেটিকস নামে একটি দোকানে তালা ভেঙে দখল ও লুটপাটের ঘটনায় ভুক্তভোগী দোকান মালিক নয়ন আলী সংবাদ সম্মেলন করেছে।

রবিবার ১৩/০৭/২০২৫ তারিখ দুপুর ১ টায় নগরির ভদ্রা মোড়ে দারুচিনি চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এন্ড কমিউনিটি সেন্টারে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী নয়ন বলেন, বর্তমানে আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং আমার জীবিকার একমাত্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জোরপুর্বক দখল করে নিয়েছে আমার শশুর বাড়ির লোকজন। তিনি বলেন আমার শাশুড়ী মোসাঃ আসমা বেগম ২৬ নং ওয়ার্ড এর মহিলা দলের সভাপতি তিনি তার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আমাকে নানা ভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। যার কারণে আমি আমার নিজ বাসাতে থাকতে পারছিনা। এই ঘটনার অভিযুক্ত আসমা বেগম বলেন, আমার নামে যে অভিযোগ করেছে তা পুরোপুরি মিথ্যা ভিত্তিহীন। বরং আমি এখনও চাই তারা এক সাথে বসবাস করুক।

 

আমি দীর্ঘ ৯ বছর ধরে ‘নয়ন কসমেটিকস’নামে একটি দোকানে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলাম, কিন্তু গত ২০ এপ্রিল ২০২৫ ইং তারিখে সাবেক স্ত্রী লিজা আক্তার ও তার পরিবারের সদস্যরা— মোঃ কামাল হোসেন, মোসাঃ আসমা বেগম, মোঃ নাসির, মোঃ জয়নাল, মোঃ আলাল, মোঃ মিরাজ ও মোঃ কনক—আমার দোকানে আসে এবং জোরপূর্বক দখল করে। তারা দোকানের তালা ভেঙে নতুন তালা লাগিয়ে দেয় এবং আমাকে দেশীয় অস্ত্র হাতে আক্রমণ করতে আসে। আমি প্রাণভয়ে পালিয়ে যাই এবং চিৎকার করলে স্থানীয় কিছু মানুষ এগিয়ে আসে।

 

এর আগে পারিবারিক সংসার জীবনে বনিবনা না হওয়ায় আমি ১৬ এপ্রিল ২০২৫ ইং তারিখে বাংলাদেশ সরকারের আইন অনুযায়ী তালাকনামা পাঠাই কিন্তু আমার সাবেক স্ত্রী লিজা আক্তার সেই তালাকনামা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়।

 

এমতো অবস্থায় ২০ এপ্রিল ২০২৫ ইং তারিখে লিজা আক্তার ও তার পরিবারের সদস্যরা আমার ব্যবসায়ি প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায় এবং জোর পূর্বক দোকান দখল করে নেই। আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়, এবং আমি প্রাণ ভয়ে পালিয়ে যায়। আমার দোকানের ভিতরে এখনো আমার নামে দোকানের ট্রেড লাইসেন্স, ঘরের চুক্তিপত্র এবং প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার পণ্যসামগ্রী রয়ে গেছে।

 

উক্ত ঘটনায় আমি চন্দ্রিমা থানায় যোগাযোগ করি কিন্তু কোনো ধরনের সহযোগিতা পাইনি। এ বিষয়ে চন্দ্রিমা থানার (অফিসার ইনচার্জ) ওসি জানান, আমার জানা মতে এই রকম কোন অভিযোগ আসেনি। তবে অভিযোগ আসলে তদন্ত করে ঘটনার বিষয়ে পর্বরতী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয় ও প্রশাসনের নিকট ঘটনাটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আমার ব্যবসা পুনরায় চালু করার জন্য আমাকে সহযোগিতা করার দাবী জানাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।