• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

পরিচ্ছন্নতার কাজে কলার খোসা ব্যবহারের ৫

Reporter Name / ১৭৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৪

কলা খেয়ে খোসা ফেলে দিই আমরা। তবে গৃহস্থালি পরিচ্ছন্নতায় দারুণ কাজের এটি। চামড়ার পণ্য পরিষ্কারের পাশাপাশি ধাতব জিনিস ঝকঝকে করতে জুড়ি নেই কলার খোসা। জেনে নিন এমনই কিছু ব্যবহার সম্পর্কে।

  1. রূপার গয়না পরিষ্কার করতে পারেন কলার খোসা দিয়ে। কলার খোসার ভেতরের অংশটি সরাসরি রূপার উপর ঘষুন। ব্লেন্ডার বা ফুড প্রসেসরে বেশ কয়েকটি খোসা পেস্ট করে সেটাও লাগাতে পারেন। সিলভারে পেস্ট লাগানোর জন্য একটি নরম কাপড় ব্যবহার করুন। উষ্ণ সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন রূপার গয়না।
  2. ঘরের গাছপালা থেকে ধুলা দূর করতে কাজে লাগাতে পারেন কলার খোসা। পাতা মোছার জন্য কলার খোসা ব্যবহার করলে শুধু ধুলাই দূর হয় না, খোসায় থাকা তেল পাতা ঝকঝকে করে। কলার খোসা দিয়ে গাছ পরিষ্কার করার পরে পাতার অবশিষ্টাংশ মুছে ফেলার জন্য একটি মাইক্রোফাইবার কাপড় ব্যবহার করুন।
  3. চামড়ার পণ্য, বেল্ট এবং হ্যান্ডব্যাগ থেকে শুরু করে জুতা পরিষ্কার করতে কলার খোসা ব্যবহার করতে পারেন। এতে চামড়ার পণ্যে স্ক্র্যাচ পড়ার ভয় থাকে না। দাগ দূর করার জন্য কলার খোসা ব্যবহার করার পরে একটি নরম কাপড় দিয়ে অবশিষ্টাংশ মুছে ফেলুন।
  4. কাঠের আসবাবপত্র থেকে স্ক্র্যাচ, পানির দাগ এবং অন্যান্য দাগ দূর করতে কলার খোসা কাজে আসতে পারে। কলার খোসা ঘষে নিন কাঠের আসবাবে। এরপর নরম কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন।
  5. কমপ্যাক্ট ডিস্ক (সিডি) এবং ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি) বর্তমানে খুব একটা ব্যবহৃত না হলেও পুরনো অনেকগুলোই রয়ে গেছে সংগ্রহে।  এগুলো থেকে স্ক্র্যাচ দূর করতে কলার খোসা ব্যবহার করতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।