• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

শান্ত যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হারের কারণ জানালেন

Reporter Name / ১৯৮ Time View
Update : বুধবার, ২২ মে, ২০২৪

শেষ ৩০ বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজন ছিল ৬০ রান। তখনও শরিফুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমানের তিন ওভার বাকি। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পেস আক্রমণের নেতৃত্বে শরিফুল ও মোম্তাফিজরা আছেন। ডেথ ওভারে বাংলাদেশের সেরা অস্ত্র তারা। তারপরও যুক্তরাষ্ট্রের কোরে অ্যান্ডারসন ও হারমিত সিংকে তারা রুখতে পারেননি। দলের সেরা দুই বোলার নিজেদের শেষ তিন ওভারে খরচ করেছেন ৪৬ রান। ফলে শেষ ওভাবে প্রয়োজন পড়ে ৯ রানের। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত তখন বল তুলে দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে। প্রথম বলে ছক্কা মারার পর বাকি ৩ রান করতে যুক্তরাষ্ট্রের লেগেছে দুই বল।

সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৫ উইকেটের হারের পর ডেথ ওভারে পেসারদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে না পারার আক্ষেপ ঝরেছে অধিনায়ক শান্তর কণ্ঠে, ‘আমাদের স্পিনাররা ভালো বোলিং করেছে। শেষ ২-৩ ওভারে আমাদের পেসাররা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। আশা করছি, পরের ম্যাচে তারা ঘুরে দাঁড়াবে।’

বোলিংয়ের আগে ব্যাটিংয়েও সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের ব্যর্থতার পর খুব বেশি রান পায়নি বাংলাদেশ দল। তাতে ২০ রানের আক্ষেপ করলেন শান্ত, ‘আমরা ভালো ব্যাটিং করিনি। শুরুটা ভালো করেছিলাম। তবে মাঝের দিকে বেশ কয়েকটি উইকেট হারিয়েছি। আমার মনে হয় আমরা আরও ২০ রান করতে পারতাম। তখন এটা বলার মতো একটা স্কোর হতো।’

হৃদয় ও মাহমুদউল্লাহ ছাড়া কয়েকমাস ধরেই বাংলাদেশের ব্যাটাররা ধুঁকছেন। ভালো উইকেটে না খেলার জন্য এমনটা হচ্ছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তিনি বলেছেন, ‘আমি এটাকে ভুলের পুনরাবৃত্তি মনে করি না। জিম্বাবুয়ে সিরিজেও ভালো উইকেটে খেলিনি। তাই ব্যাটাররা ধুঁকছে। কিন্তু সবকিছুই আসলে মানসিকতার ব্যাপার। আমি আশা করছি ব্যাটাররা ছন্দে ফিরবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।