• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

আনচেলত্তি রিয়ালের মধুর প্রতিশোধে গর্বিত

Reporter Name / ১৬৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৪

চ্যাম্পিয়নস লিগে গতবার ম্যানচেস্টার সিটির মাঠে সেমিফাইনালে হার দেখেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। রেকর্ড ১৪বারের চ্যাম্পিয়নদের কাছে সেই হারের জ্বালাটা কেমন লেগেছিল সেটা কোচ কার্লো আনচেলত্তির প্রতিক্রিয়া থেকেই বোঝা যায়। কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে শিষ্যরা মধুর প্রতিশোধ নেওয়ায় গর্ববোধ করছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই কোচ।

ইতিহাদে গতবার ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়ে রিয়ালকে বিদায় নিতে হয়েছিল। এবার অবশ্য শেষ আটের লড়াইয়ে একই মাঠে ম্যাচটা গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই সিটিকে পরাস্ত করেছেন তারা। ম্যাচের পর আনচেলত্তি বলেছেন, ‘আমার বিশ্বাস সিটিকে অন্য কোনওভাবে হারানো সম্ভব ছিল না। ফলে আমরা যা করেছি, তাতে ভীষণ গর্বিত।’

স্নায়ুক্ষয়ী পেনাল্টির সময় অস্থির অবস্থায় ছিলেন আনচেলত্তি। টাচ লাইনে অস্থিরভাবে পায়চারি করছিলেন তিনি। আনচেলত্তি বলেছেন, যখন শুটআউটে ম্যাচ গড়ায় তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে, তার দল বাধা পার করে ফেলবে, ‘পেনাল্টি শুটআউট যখন শুরু হলো, আমরা নিশ্চিত ছিলাম যে বাধা পার করে ফেলবো।’

নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ ড্র ছিল। অতিরিক্ত সময়ে তারা সিটিকে গোল করতে দেয়নি। তার পরেই ম্যাচ গড়ায় শুটআউটে। আনচেলত্তি দলের রক্ষণের প্রশংসা করেছেন এভাবে, ‘আমরা রক্ষণ খুব ভালোভাবেই সামলেছি। কারণ বিষয়টা ছিল অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার। মাদ্রিদ এমন একটা ক্লাব যখন কোনও উপায় না থাকলেও টিকে থাকার জন্য সব সময় লড়াকু মানসিকতা নিয়ে খেলে। তখন কিন্তু একটা না একটা পথ বের করে ফেলি আমরা।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।