• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

তথ্য প্রাপ্তিতে হয়রানি বন্ধে তথ্য কমিশনকে বেশি তৎপর হওয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

Reporter Name / ২৫৫ Time View
Update : সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০২৪

তথ্য প্রাপ্তিতে কেউ যেন কোন হয়রানির শিকার না হয়- সেজন্য তথ্য কমিশনকে আরো বেশি তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।

তিনি গতকাল বঙ্গভবনে “তথ্য কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২৩” গ্রহণকালে তথ্য কমিশনকে এই নির্দেশনা দেন।
রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, “তথ্য পাওয়া জনগণের অধিকার… তারা যাতে প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে পারে সেই প্রক্রিয়ায় কেউ যেন কোন হয়রানি শিকার না হয়।”
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কাছে গতকাল দুপুরে প্রধান তথ্য কমিশনার ডক্টর আব্দুল মালেকের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল “তথ্য কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২৩”    পেশ করেন।
প্রতিনিধি দলের অন্যান্যরা হচ্ছেন- তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক,  মাসুদা ভাট্টি ও কমিশন সচিব জুবাইদা নাসরীন।
পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন বাসসকে জানান, সাক্ষাৎকালে প্রধান তথ্য কমিশনার বার্ষিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক ও কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তথ্য অধিকার আইনের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরো বলেন, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তথ্য কমিশনকে তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত হয়ে দায়িত্ব পালনে উদ্যোগী  থাকতে হবে।
এ সময় বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অফ ইনফরমেশন কমিশনারস (আইসিআইসি)- এর নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় তথ্য কমিশনকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।
তিনি তথ্য কমিশনের সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তথ্য কমিশন জনগণের সংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সাবধানে বাধা বিপত্তি অপসারণে তাদের কার্যক্রম আরো জোরদার করবে বলে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধান তথ্য কমিশনার জানান, এ পর্যন্ত এক লক্ষ ৫৬ হাজার আবেদন জমা পড়েছে এবং এর বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই  তথ্য প্রদান করা হয়েছে।
তিনি বলেন, তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে তৃণমূল পর্যায়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কমিশন নিরবচ্ছিন্ন প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।
তথ্য কমিশনের সার্বিক কার্যক্রমে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন ও সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহউদ্দিন ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।