• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

পাকিস্তানের নৌ-ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলা

Reporter Name / ১৯৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০২৪

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে নৌবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। ২৫ মার্চ রাতে তুরবাত শহরে অবস্থিত এই নৌ ঘাঁটিতে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। নিরাপত্তা বাহিনী সফলভাবে সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করেছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান ইন্টার-সার্ভিস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর)। এসময় নিরাপত্তা বাহিনীর একজন সদস্য নিহত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে সামরিক বাহিনীর মিডিয়া বিবৃতিতে।

মিডিয়া বিবৃতিতে পাকিস্তান আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, সন্ত্রাসীরা গত রাতে তুরবতে পিএনএসের একটি ঘাঁটিতে হামলার চেষ্টা করেছিল। নিরাপত্তায় নিয়োজিত সৈন্যদের দ্রুত এবং কার্যকর প্রতিক্রিয়ায় সন্ত্রাসী হামলাটি ব্যর্থ হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সৈন্যরা জীবন বাজি রেখে ঘাঁটিতে অবস্থানরত কর্মীদের এবং সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এসময় একজন সৈনিক শহীদ হয়েছেন এবং চার সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে আইএসপিআর।

আইএসপিআর বলছে, নৌ ঘাঁটি এলাকায় যখন সন্ত্রাসীরা গোলাগুলি শুরু করে তখন নৌবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য আশপাশের এলাকা থেকেও নিরাপত্তা বাহিনীকে তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে একত্রিত করা হয়েছিল। সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়মূলক এবং কার্যকর প্রতিক্রিয়ায় পরবর্তী যৌথ ক্লিয়ারেন্স অপারেশনে চার সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে আইএসপিআরের বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী এবং সৈন্যদের মধ্যে তীব্র গুলি বিনিময়ের সময় ২৪ বছর বয়সী তরুণ সিপাহি নোমান ফরিদ শাহাদাত বরণ করেন।

সশস্ত্র বাহিনীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এলাকায় অবস্থানরত অন্য সন্ত্রাসীদের নির্মূল করার জন্যও স্যানিটাইজেশন অপারেশন চালানো হচ্ছে।

এই হামলার এক সপ্তাহ আগে পাকিস্তান গোয়াদর বন্দর কর্তৃপক্ষের (জিপিএ) কলোনিতে হামলা চালায় একদল বন্দুকধারী। নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত এবং কার্যকর প্রতিরোধ সেই ভয়ংকর হামলাকে ব্যর্থ করে দেয়। সেসময় আইএসপিআর জানিয়েছিল, নিরাপত্তার জন্য নিযুক্ত সৈন্যরা তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয় এবং কার্যকরভাবে সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করে। সেই হামলায় আট সন্ত্রাসী নিহত হয়।

নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয় বলেও জানিয়েছিল আইএসপিআর।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।