• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

তানজিদ তামিম এক সেঞ্চুরিতে শীর্ষ রান সংগ্রাহক

Reporter Name / ৩৬১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
এক সেঞ্চুরিতে শীর্ষ রান সংগ্রাহক তানজিদ তামিম
এক সেঞ্চুরিতে শীর্ষ রান সংগ্রাহক তানজিদ তামিম

বিপিএলের শুরুটা ভালো হয়নি তানজিদ হাসান তামিমের। খোলস ছেড়ে বের হতে সময় নিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তার সেঞ্চুরিতে ১৯২ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। এক সেঞ্চুরি করেই যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের এই ব্যাটার চলমান বিপিএলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকার শীর্ষেও উঠে গেছেন।

চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিমকে হারায় চট্টগ্রাম। এরপর সৈকত আলীকে নিয়ে শুরু হয় জুনিয়র তামিমের লড়াই। ৫৬ রানের জুটির পর সৈকত ব্যক্তিগত ১৮ রানে বিদায় নেন। ৬০ রানে দুই উইকেট হারানো দলকে পরে দারুণ স্কোর এনে দেয় টম ব্রুস ও তানজিদ তামিমের জুটি। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে তামিম সাজঘরে ফিরলে ভাঙে ১১০ রানের জুটি! আউট হওয়ার আগে অবশ্য বিপিএলের ৩২তম সেঞ্চুরি তুলে নেন চট্টগ্রামের এই ওপেনার।

এদিন শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করেছেন তানজিদ। ৩২ বলে ৪ চার ও ৪ ছক্কায় হাফ সেঞ্চুরি ছোঁয়া তামিম দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি ছুঁয়েছেন ২৬ বলে। ১৬তম ওভারে জেসন হোল্ডারের বলে সিঙ্গেল নিয়ে বিপিএলের ইতিহাসে ৩২তম সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেই শূন্যে ব্যাট ছুড়ে বুনো উদযাপন করেছেন।

শুধু তাই নয়, কুড়ি ওভারের স্বীকৃতি ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি করার পথে তাওহীদ হৃদয়কে ছাড়িয়ে শীর্ষ রান সংগ্রাহক এখন তিনিই। ১১ ম্যাচে ১ সেঞ্চুরি ও ২ হাফ সেঞ্চুরিতে তার রান ৩৮২। দু্ই নম্বরে থাকা তাওহীদ হৃদয়ের রান ১০ ম্যাচে ৩৫৮।

বিপিএলে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর ক্রিস গেইলের। ২০১৭ সালে রংপুর রাইডার্সের হয়ে ঢাকা ডায়নাইমাইটসের বিপক্ষে ১৪৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। আর বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান তামিম ইকবালের। পুরো তালিকার দুই নম্বরে আছেন তিনি। ২০১৯ সালে তামিম খেলেছিলেন ১৪১ রানের অপরাজিত ইনিংস। মঙ্গলবার ১১৬ রানের ইনিংস খেলে জুনিয়র তামিম অনেককেই টপকে গেছেন। ৩২তম সেঞ্চুরি করে ব্যক্তিগত স্কোর বিবেচনায় তিনি আছেন পাঁচ নম্বরে। তার আগে বাংলাদেশ থেকে আছেন কেবল তামিম ইকবাল (১৪১*), সাব্বির রহমান (১২২)।

এদিন সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর আরও আগ্রাসী ব্যাটিং করেছেন তানজিদ। যদিও ইনিংসের ১১ বল আগেই সাজঘরে ফিরতে হয়েছে। ৬৫ বলে ৮ চার ও ৮ ছক্কায় নিজের ইনিংসটিকে সাজান এই ব্যাটার। এছাড়া টম ব্রুসের ২৩ বলে ৩৬ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে চট্টগ্রাম ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯২ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।