• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

রমজানে ডিম-মুরগির দাম কমাতে ‘চাঁদাবাজি’ বন্ধের দাবি

Reporter Name / ১৪০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
রমজানে ডিম-মুরগির দাম কমাতে ‘চাঁদাবাজি’ বন্ধের দাবি
রমজানে ডিম-মুরগির দাম কমাতে ‘চাঁদাবাজি’ বন্ধের দাবি

রমজান মাসে ডিম ও মুরগির দাম স্বাভাবিক রাখতে পরিবহনের সময় রাস্তায় পুলিশের হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনের সভাপতি মো. সুমন হাওলাদার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো. সুমন হাওলাদার বলেন, ‘করপোরেট গ্রুপগুলো ডিম-মুরগি, পোল্ট্রি ফিড, মুরগির বাচ্চা পরিবহনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) থেকে গাড়ির অনুমোদন পায়। কিন্তু প্রান্তিক খামারিদের অনুমোদন দেওয়া হয় না। এ জন্য ট্রাফিক বিভাগ, হাইওয়ে পুলিশ, থানার চেকপোস্ট, সারা দেশের কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাকে মাসিক চাঁদা দিয়ে চলতে হয়। স্থানীয় চাঁদাবাজদের কবলে পড়তে হয় আমাদের। মাসিক চাঁদা দিয়েও গাড়িগুলো দিনের বেলা চলাচল করতে পারে না। এতে পরিবহনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় প্রান্তিক খামারিদের। এতে ডিম ও মুরগি পরিবহন খরচ বাড়ায় দামও বেড়ে যায়।’

রমজানের আগে ডিম ও মুরগির দাম বাড়ার পেছনে কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘করপোরেট সিন্ডিকেটের যোগসাজসে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের পক্ষ থেকে প্রান্তিক খামারিদের কাছে মুরগির বাচ্চা আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রান্তিক খামারিদের মতামত না নিয়ে শুধু করপোরেট সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিয়ে ২৮ থেকে ৩০ টাকা উৎপাদন খরচের মুরগীর বাচ্চার দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে ৪৯ থেকে ৫২ টাকা। এ জন্য ডিম ও মুরগির দাম বাড়ছে।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘মুরগির বাচ্চার উৎপাদন কমিয়ে দিয়ে করপোরেট গ্রুপগুলো তাদের চাহিদা মতো নিজস্ব খামারে বাচ্চা তুলেছে এবং কন্টাক্ট খামারিদের বাচ্চা দিয়েছে। অবশিষ্ট বাছাই করা নিম্ন মানের বাচ্চা অতিরিক্ত দামে তাদের পরিবেশকের মাধ্যমে প্রান্তিক খামারিদের কাছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রয় করছে। যার খেসারত দিতে হচ্ছে ভোক্তা ও প্রান্তিক খামারিদের।’

মুরগির দাম কেন বাড়ছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, ‘মুরগির বাচ্চার কৃত্তিম সংকট তৈরি করে প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদন থেকে সরিয়ে দেওয়ার কারণে দাম বাড়ছে।’

রমজানের আগে দাম বাড়বে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মুরগির সংকটের কারণে এবার আংশিকভাবে রমজানের আগে দাম বাড়বে। ৪ থেকে ৫ রমজানে মুরগির বাচ্চা এলে দাম কমে যাবে। যখন প্রান্তিক খামারি মুরগি উৎপাদন করে তখন দাম কমে আসে।’

রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রান্তিক খামারিদের দাবি কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সারা দেশে যত চাঁদাবাজি ও পুলিশি হয়রানি হয় সেগুলো বন্ধ করতে হবে। একইসঙ্গে দিনেরবেলা প্রান্তিক খামারিদের মুরগি ও ডিমের গাড়িগুলো যাতে চলাচল করতে পারে সে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন– বাংলাদেশ পোল্ট্রি এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি বাপ্পী কুমার দে, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খন্দকার, পোল্ট্রি উদ্যোক্তা কাউসার আহমেদ, কন্ট্রাক্ট খামারি ইকবাল হোসেন প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।