• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

ভারত ইংল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে রেকর্ড রানে জিতলো

Reporter Name / ১৯৯ Time View
Update : রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
ইংল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে রেকর্ড রানে জিতলো ভারত
ইংল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে রেকর্ড রানে জিতলো ভারত

যশস্বী জয়সওয়ালের অপরাজিত ২১৪ রানে ভর করে ভারত ইংল্যান্ডকে ৫৫৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য দেয়। জবাবে ভারতীয় ওপেনারের রানও করতে পারেনি সফরকারীদের ১১ ব্যাটার। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান রবীন্দ্র জাদেজা ৫ উইকেট নিয়ে ৪০তম ওভারে ১২২ রানে তাদের অলআউট করতে ভূমিকা রাখেন। তাতে ভারত তাদের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪৩৪ রানের জয় পায়। তাতে দুই ম্যাচ হাতে রেখে ২-১ এ এগিয়ে গেলো স্বাগতিকরা।

২ উইকেটে ১৮ রানে চা বিরতির পর খেলতে নামে ইংল্যান্ড। বাকি এক সেশনে ভেঙে পড়ে তাদের ব্যাটিং লাইনআপ, হারায় ৮ উইকেট।

জাদেজা ১২.৪ ওভারে ৪১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন। টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বার একই ম্যাচে সেঞ্চুরি ও ফাইফারের কীর্তি গড়েন এই অলরাউন্ডার। ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন দশম ব্যাটার মার্ক উড।

মায়ের অসুস্থতার কারণে মাঝপথে টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ানো রবিচন্দ্রন অশ্বিন ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে ৮.২ ওভারে মাঠে নামেন। ৬ ওভার বল করে একটি উইকেটও নেন তিনি।

এর আগে ভারত চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ২ উইকেটে ১৯৬ রানে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টেও ডাবল সেঞ্চুরির আরেকটি নজির গড়েছেন ওপেনার জয়সওয়াল। অনবদ্য ডাবল সেঞ্চুরিতে এলিট লিস্টেও ঢুকে গেছেন তিনি। তবে রোহিত শর্মা ৪ উইকেটে ৪৩০ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা না করলে হয়তো তার আগ্রাসী ইনিংসটি অনন্য মাত্রা পেতো! সেটি হতো এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড!

এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ১২টি ছক্কার মালিক ছিলেন পাকিস্তানি গ্রেট ওয়াসিম আকরাম। ১৯৯৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৫৭ রানে অপরাজিত ছিলেন ১২টি ছক্কায়। এবার তাকে স্পর্শ করেছেন জয়সওয়াল।

২৩৬ বলে ১৪ চার ও ১০ ছক্কায় ২১৪ রানে অপরাজিত ছিলেন জয়সওয়াল। অথচ শনিবার ১০৪ রানের পর পিঠের চোটের কারণে আর ব্যাট করতে পারেননি। চতুর্থ দিন মাঠে নামলেন ঠিকই। নেমে বিরাট কোহলি ও বিনোদ কাম্বলির পর তৃতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে টানা দুই টেস্টে হাঁকিয়েছেন ডাবল সেঞ্চুরি। এর আগে বিশাখাপত্তনমে খেলেছেন ২০৯ রানের ইনিংস।

ইংলিশ বোলারদের বিপক্ষ ব্যাটটাকে তরবারি বানিয়েছিলেন জয়সওাল। ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ৮৬.৫৮ স্ট্রাইক রেটে ২৩১ বলে। টেস্টে বয়সের হিসেবেও জয়সওয়ালের এই ইনিংসটি রেকর্ডের তালিকায় ঢুকে গেছে। তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরির মালিক হয়েছেন তিনি (২২ বছর ৫৩ দিন)। ২১ বছর ৫৪ দিন নিয়ে এই তালিকার চূড়ায় ভারতের বিনোদ কাম্বলি। ২১ বছর ৩১৮ দিন বয়স নিয়ে দুইয়ে আছেন কিংদবন্তি স্যার ডন ব্র্যাডম্যান। ইনিংস ঘোষণার আগে জয়সওয়ালের সঙ্গে ৬৮ রানে অপরাজিত ছিলেন সরফরাজ খান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।