• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

মিয়ানমারের আরও ২ সেনা ঘাঁটি বিদ্রোহীদের দখলে

Reporter Name / ১৬৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

মিয়ানমারের কাচিন প্রদেশে সেনাবাহিনীর আরও দুটি ঘাঁটি দখলে নেওয়ার দাবি করেছে বিদ্রোহীরা। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিদ্রোহীদের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম মিয়ানমার নাউ।

মিয়ানমার নাউয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাচিন ইন্ডিপেনডেন্টস আর্মি (কেআইএ) ও কাচিন পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ)-এর যৌথবাহিনী কাচিন রাজ্যের এইচপাকান্ত এবং মানসি শহরে দুটি জান্তা ঘাঁটি দখল করেছে।

কাচিন রাজ্যটি মিয়ানমারের সর্বউত্তরে অবস্থিত। রাজ্যটির উত্তর ও পূর্বদিকে চীন, দক্ষিণে শান রাজ্য এবং পশ্চিমে সাগাইং অঞ্চল ও ভারত।

গত ২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টায় কেআইএ ও কাচিন পিডিএফের যোদ্ধারা সেনাবাহিনীর নামতিন ঘাঁটি ঘেরাও করে হামলা চালায়। জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহীর মধ্যে একটানা ৪ ঘণ্টা পাল্টাপাল্টি হামলা চলে। একপর্যায়ে জান্তা বাহিনীর সেনারা রণেভঙ্গ দিলে বিদ্রোহীরা ঘাঁটিটি দখলে নেয়। নামতিন ঘাঁটি ছাড়াও এদিন মানসি শহরের আরেকটি ঘাঁটি দখলে নেয় বিদ্রোহীরা।

অন্যদিকে থাইল্যান্ডভিত্তিক মিয়ানমারের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইরাবতী জানায়, মিয়ানমারজুড়ে চলমান সংঘাতের মধ্যে গত তিন দিনে সশস্ত্র বিদ্রোহীগোষ্ঠীগুলোর কাছে কয়েকটি সেনা ঘাঁটি এবং ৬২ জন সেনা হারিয়েছে জান্তা সরকার। দখল হওয়া ঘাঁটিগুলো মিয়ানমারের সাগাইং, ম্যাগউই, মান্দালয় জেলা এবং কাচিন ও কারেন প্রদেশে অবস্থিত।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এক সেনা অভ্যুত্থানে শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চি নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে দেশের ক্ষমতা দখলে নেন সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। এরপর তিন বছর পার হয়ে গেছে। তবে এত দিন পার হলেও এখন সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় রয়েছেন জান্তাপ্রধান। গত অক্টোবরে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো জোট বেঁধে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযানে নামলে একের পর এক এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকে সেনাবাহিনী। বিদ্রোহীদের সঙ্গে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে গণতন্ত্রপন্থি যোদ্ধারাও।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।