• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

গাজায় ফের বসতি স্থাপনের দাবি ইসরায়েলি মন্ত্রী-এমপিদের

Reporter Name / ২০০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৪

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আবারও ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন ইসরায়েলের ১১ মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন জোট সরকারের ১৫ আইনপ্রণেতা। বসতি স্থাপন ছাড়াও কেউ কেউ গাজার ফিলিস্তিনিদের অন্য দেশে পাঠানোর কথাও বলেছেন। রোববার (২৮ জানুয়ারি) রাতে ডানপন্থি নাহালা নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক সম্মেলনে এ আহ্বান জানিয়েছেন তারা। খবর আলজাজিরা ও টাইমস অব ইসরায়েলের।

জেরুজালেম ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এই সম্মেলনে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী ও উগ্র জাতীয়তাবাদী ধর্মীয় জায়োনিজম পার্টির নেতা বেজালেল স্মোট্রিচ বলেছেন, আমরা (গাজায়) বসতি স্থাপন করব এবং আমরা বিজয়ী হবো।

রোববার সম্মেলনে ইসরায়েলের চরম উগ্র ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভিরও উপস্থিত ছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, গুশ কাতিফের বাড়িতে ফেরার সময় হয়েছে। গাজায় ইসরায়েলের নির্মিত বসতির নাম গুশ কাতিফ। ২০০৫ সালের চুক্তির মাধ্যমে সেখান থেকে সব বসতি সরিয়ে নিয়েছিল ইসরায়েল।

নেতানিয়াহুর ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির যোগাযোগমন্ত্রী শ্লোমো কার্হিও গাজায় বসতি গড়ে তোলা এবং ফিলিস্তিনিদের স্বেচ্ছায় দেশত্যাগে উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে এত এত মন্ত্রী-এমপি এই সম্মেলনে যোগ দিলেও এড়িয়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেননি। গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই তিনি বলে আসছেন, গাজায় ইসরায়েল আবারও স্থায়ী উপস্থিতি বজায় রাখতে চায় না। তবে এ উপত্যকার নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেদের হাতে রাখার কথা বেশ জোর দিয়ে বলে আসছেন তিনি।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক মিত্ররা বলছে, একমাত্র দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে। এ নিয়ে বিদেশিদের কাছ থেকে চাপে থাকলেও যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার ভবিষ্যৎ ইসরায়েলি সরকারের পরিকল্পনা খোলাসা করছেন না নেতানিয়াহু।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।