• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

মেসি-সুয়ারেজেও জয়হীন মায়ামি

Reporter Name / ১৭২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৪

প্রায় সাড়ে ৩ বছর পর একই দলের হয়ে মাঠে নেমেছেন দুই বন্ধু লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজ। প্রাক-প্রস্তুতি মৌসুমে হন্ডুরাসের বিপক্ষে ড্রয়ের পর এবার এফসি ডালাসের বিপক্ষে হেরেই গেল ইন্টার মায়ামি।

মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) টেক্সাসের কটন বোল স্টেডিয়ামে এফসি ডালাসের কাছে ১-০ গোলে হারের স্বাদ পেয়েছে ইন্টার মায়ামি। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন জেসুস ফেরেইরা।

প্রাক মৌসুমের প্রস্তুতি হিসেবে দুটি ম্যাচ খেলেছে ইন্টার মায়ামি। তবে কোন ম্যাচেই দলকে জেতাতে পারেননি মেসি-সুয়ারেজরা। এমএলএস ক্লাবটির এমন পারফরম্যান্সে হতাশ হয়েছে মায়ামির সমর্থকরাও। মার্কিন ক্লাবটিতে খেলছেন বার্সার আর্জেন্টাইন অধিনায়কের একসময়ের প্রিয় বন্ধু ও সহযোগী লুইস সুয়ারেজও। সাথে জর্দি আলবা, সার্জিও বুসকেটসরা তো আছেনই। তারপরেও প্রাক মৌসুমের দ্বিতীয় ম্যাচটা হেরেই গেল মায়ামি। 

বার্সেলোনাতে থাকতে গোলের পর গোল করেছেন মেসি-সুয়ারেজ জুটি। একসঙ্গে দলকে জিতিয়েছেন বহু শিরোপা। তবে মায়ামিতে তাদের অবস্থা এমন কেন?

নিজেকে দলের সাথে কী মানিয়ে নিতে পারছেন না তারা? নাকি প্রাক মৌসুমের খেলা হওয়ায় একটু গা ছেড়ে খেলছেন মায়ামির ফুটবলারেরা? যদিও এফসি ডালাসের সাথে ম্যাচটাতে জর্দি আলবা বাদে বার্সার সাবেকরা খেলেছেন ৬৪ মিনিট পর্যন্ত।

ম্যাচের শুরুতেই জেসুস ফেরেইরার গোলে এগিয়ে যায় এফসি ডালাস। সেই গোলটাই আর শোধ করতে পারেননি মায়ামির কোনো ফুটবলার। ম্যাচ শেষ হয় ১-০ গোলেই।

এল সালভেদর ও ডালাস ম্যাচসহ আরও পাঁচটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে মায়ামি। সৌদি আরব সফরে ২৯ জানুয়ারি আল হিলাল এবং ১ ফেব্রুয়ারি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর আল নাসরের বিপক্ষে মাঠে নামবে মেসি বাহিনী।

এ ছাড়াও হংকং ও জাপানে আরও দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে মেসির মায়ামি। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আর্জেন্টাইন ক্লাব নিওয়েলস ওল্ড বয়েজের বিপক্ষে আরেকটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে এমএলএস ক্লাবটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।