• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

যুদ্ধের প্রভাবে গাজায় আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে গর্ভপাত

Reporter Name / ১৬৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৪

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রভাবে নাটকীয়ভাবে গর্ভপাতের হার বেড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে না পারায় এমন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মানবিক সংস্থা কেয়ারের জরুরি পরিস্থিতিতে সুরক্ষা ও লিঙ্গ বিষয়ক আঞ্চলিক উপদেষ্টা নুর বেদউন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম জেজেবেলকে নুর বেদউন আরও বলেন, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজার প্রায় হাসপাতাল ধ্বংস হয়ে গেছে। তাই চিকিৎসা সামগ্রীর স্বল্পতার কারণে ফিলিস্তিনি নারীরা গর্ভপাতের শিকার হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে নারীদের ইনফেকশনের ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

অভাবনীয় হারে গর্ভপাতের কারণ উল্লেখ করে নুর বেদউন বলেন, গর্ভকালীন প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পুষ্টির অভাবে গর্ভপাত হচ্ছে। তাছাড়া দুর্বল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কারণেও এমন হচ্ছে।

গাজায় গর্ভবতী নারীর অবস্থা বর্ণনা করে ফিলিস্তিনের পরিবার পরিকল্পনা ও সুরক্ষা সমিতির নির্বাহী পরিচালক আম্মাল আওয়াদাল্লাহ বলেন, সন্তান প্রসব নিয়ে সব গর্ভবতী নারীই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। গাড়ি, টেন্ট ও আশ্রয় শিবিরের মতো জায়গায় সন্তান প্রসব করছেন ফিলিস্তিনি নারীরা।

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় চিকিৎসা সামগ্রী ও অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়াই সন্তান প্রসব ও সিজারের প্রভাব উল্লেখ করে আওয়াদাল্লাহ বলেন, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধ ছাড়া রক্তক্ষরণ এবং সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেশি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।