• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

পাড়া-মহল্লায় ‘কাঁচি’ প্রতীকের জোয়ার হচ্ছে: অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা

Reporter Name / ২১৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩
পাড়া-মহল্লায় ‘কাঁচি’ প্রতীকের জোয়ার হচ্ছে: অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা
পাড়া-মহল্লায় ‘কাঁচি’ প্রতীকের জোয়ার হচ্ছে: অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা

আগামী ৭ জানুয়ারির দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ আসনের কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশাকে জয়যুক্ত করার লক্ষ্যে গণসংযোগ ও প্রচার সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা ও নিউমার্কেট এলাকায় গণসংযোগ করা হয়েছে। এরআগে বিকেল ৩ টায় ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তৌহিদুল হকের আয়োজনে প্রচার সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সমাবেশে নারী ভোটারদের ঢল নামে।
প্রচার সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রাজশাহী-২ আসনের কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা। এসময় তিনি বলেন, রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের কাছ থেকে নৌকা ছিনতাই করে নিয়েছে। জাতীয়ভাবে আমাদের প্রতীক নৌকা। কিন্তু এবারের নির্বাচনে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতীক ‘কাঁচি’। এরইমধ্যে নগরীর প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় ‘কাঁচি’ প্রতীকের জোয়ার শুরু হয়েছে। আগামী ৭ জানুয়ারি ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে আমাদের নিরঙ্কুশ জয় হবে।
গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শহিদুল ইসলাম, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো.  তৌহিদুল হক, ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নিযাম উল আযীম, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আরমান আলী, ২৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আশরাফুল হাসান (বাচ্চু), রাজপাড়া থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাফিজুর রহমান বাবু, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড (দক্ষিণ) সভাপতি মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক কামরুল হোসেন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড (উত্তর) সভাপতি হাসেম মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক বাবর আলী, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর সালাম, সাধারণ সম্পাদক জান বক্স, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পলি, সাধারণ সম্পাদক বৃষ্টি খাতুনসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
এরআগে বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ল²ীপুর কাঁচাবাজার ও আশেপাশের এলাকায় গণসংযোগ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।