• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

১০ লাখ লোক সমাগমের টার্গেট সিলেটে আ.লীগের জনসভায়

Reporter Name / ১৫৮ Time View
Update : বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩

সিলেট থেকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সমাবেশে ১০ লাখ লোকের সমাগম হবে বলে আশা করছেন সিলেট আওয়ামী লীগের নেতারা।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় সিলেট ওসমানী আন্তজাতিক বিমানবন্দরে নেমে হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে সার্কিট হাউসে আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে পৃথক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশ্রাম শেষে বিকেলে নগরীর আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বেস্টনীতে রাখা হয়েছে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ। জনসভাকে ঘিরে দলের নেতাকর্মীদের মাঝে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

স্বাধীনতার পর থেকে দেশের রাজনীতিতে সিলেটকে নিয়ে এক ধরনের ‘মিথ’ তৈরি হয়েছে। সিলেট-১ আসনে যে দল বিজয়ী হয় সেই দলই সরকার গঠন করে। সাধারণ মানুষ মনে করে, হজরত শাহজালালসহ ৩৬০ আউলিয়ার স্মৃতি বিজড়িত পুণ্যভূমির এ আসনটি সব দলের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত রাজনৈতিক দলের প্রধানরা সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) এবং হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে ঐতিহ্যবাহী আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জনসভার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। এবারও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ধারা বজায় রাখছেন। আলিয়া মাদ্রাাসা মাঠে নৌকার আদলে তৈরি করা হচ্ছে বিশাল জনসভামঞ্চ।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) সিলেটে এসে বিশেষ বর্ধিত সভা করেছেন। তিনি এ বিভাগের ১৯ আসনের নৌকার প্রার্থীদের বিশেষ নির্দেশনা দেন। সিলেট জনসভা জনসমুদ্রে রূপ নেবে বলে জানান আওয়ামী লীগের এ প্রেসিডিয়াম সদস্য।

এ প্রসঙ্গে নানক বলেন, পুণ্যভূমি সিলেট থেকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভা শুরু হবে। এ জনসভাকে ঘিরে সিলেট বিভাগের মানুষের মধ্যে অন্যরকম উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

সিলেট সিটি মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে সিলেটবাসী বরণ করে নিতে প্রস্তুত। সিলেট থেকেই শুরু হবে সারা দেশে নৌকার পক্ষে গণজোয়ার। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা যে নির্দেশনা দিয়ে যাবেন, সেই নির্দেশনাই আমরা পালন করতে প্রস্তুত।

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ প্রধানমন্ত্রীর জনসভা স্মরণকালের বৃহৎ জনসমাবেশ করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিভাগের প্রতিটি জেলা-উপজেলা থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা এসে উপস্থিত হবেন।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আসাদ উদ্দিন আহমেদ কালবেলাকে বলেন, জনসভায় অন্তত ১০ লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছি। কারণ সামনের নির্বাচন অনেক চ্যালেঞ্জিং। সেই নির্বাচনি বার্তা পেতে তৃণমূলের সব নেতারা সিলেট শহরে আসবেন নেত্রীর কথা শোনার জন্য। ২০১৮ সালের ২২ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী প্রচারণাও সিলেট থেকে শুরু করেছিলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন কালবেলাকে বলেন, সিলেটবাসী অত্যন্ত গর্বিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সিলেট আসবেন। লোকে লোকারণ্য হয়ে যাবে সিলেট মহানগর। অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে নতুন ইতিহাস তৈরি হবে। নৌকার স্লোগানে মুখরিত হবে নগরী।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (ট্রাফিক) মাহফুজুর রহমান কালবেলাকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফর উপলক্ষে মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে, যাতে প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশে এসে নির্বিঘ্নে যেতে পারেন। কেউ যেন এখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে যে পরিমাণ পুলিশ দেওয়া হয়েছে তার চেয়ে বেশি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া হয়েছে। যানজট যাতে না হয় সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ মোহাম্মদ রাসেল হাসান কালবেলাকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফর উপলক্ষে ইতোমধ্যে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যরা সিলেটে এসেছেন। বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছেন। আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।