• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

৪৬৬ কোটি টাকা এমপির বাড়ি থেকে উদ্ধার !

Reporter Name / ১৬৬ Time View
Update : সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

এমপির বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে গোয়েন্দা বিভাগ। আর তাতে মিলেছে বিপুল অর্থ। যা গুনতে সময় লেগে গেছে পাঁচ দিন। সেখানে মিলেছে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৪৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। সোমবার (১১ ডিসেম্বর) অবিশ্বাস্য এমন এক ঘটনার তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় কংগ্রেসের এক এমপির বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা। যেখানে পাওয়া অর্থ গুনতে যোগ দিয়েছেন ৫০ জন ব্যাংক কর্মকর্তা। নেওয়া হয়েছে ৪০ টি গণনার মেশিন। এরপর টানা পাঁচ দিন ধরে গণণা করা হয়েছে। সেখানে মিলেছে ৩৫৩ দশমিক ৫ কোটি রুপি। যা টাকার অংকে প্রায় ৪৬৬ কোটি ৩৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকার সমান। ভারতের ইতিহাসের আগের সব রেকর্ড ভেঙেছে এ অর্থ। এটি এখন সবচেয়ে বড় নগদ অর্থ উদ্ধার অভিযান।

অভিযান পরিচালনা করা ওই ব্যক্তির নাম ধীরজ সাহু। তিনি ভারতের কংগ্রেসের রাজ্যসভার সংসদ সদস্য। তার ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এ অর্থ জব্দ পাওয়া গেছে। আয়কর বিভাগের কর্মকর্তরা এসব অর্থ জব্দ করেছেন।

উড়িশার বোলাঙ্গির এসবিআই শাখার আঞ্চলিক কর্মকর্তা ভগত বেহেরা বলেন, এখন পর্যন্ত ১৭৬টি রুপির বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪০টি রুপির বস্তা গোনার কাজ শেষ হয়েছে। বিপুল এ অর্থ গণনার জন্য ব্যাংক চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উদ্ধারকৃত অর্থের পরিমাণ ২২৩ কোটি রুপি। এসব অর্থ গণনার জন্য আয়কর বিভাগ ৩৫টির বেশি ক্যাশ কাউন্টিং মেশিন কাজে লাগিয়েছে।

আয়কর বিভাগ জানিয়েছে, উদ্ধার করা এসব অর্থের মধ্যে কংগ্রেস সংসদ সদস্যের মালিকানাধীন সংস্থা ‘বৌধ ডিসটিলারি প্রাইভেট লিমিটেডের’ অফিসের একটি আলমারি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া বাকি অর্থ উড়িশার সম্বলপুর, সুন্দরগড় ও ঝাড়খণ্ডের বোকারো, রাঁচি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

আয়কর বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ওড়িশায় একটি মদ প্রস্তুতকারক কোম্পানির ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তির সূত্র ধরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ঝাড়খণ্ডের বোকারো ও রাঁচিতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া ওড়িষ্যার সম্বলপুর ও সুন্দরগড়েও তল্লাশি চলছে। ভারতীয় এ সংসদ সদস্যের দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।