• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ৭৫ প্রার্থীকে শোকজ

Reporter Name / ১৫৩ Time View
Update : বুধবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে প্রার্থীদের শোকজ করা অব্যাহত রেখেছে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি। শোডাউনসহ মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমাদান, দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সংবর্ধনা গ্রহণ, মোটর শোভাযাত্রা, সভা-সমাবেশে অস্ত্র প্রদর্শন ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে হুমকির অভিযোগে এ পর্যন্ত অন্তত ৭৫ জন প্রার্থীকে শোকজ করে অনুসন্ধান কমিটি।

এরই ধারাবাহিকতায় ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও আওয়ামী লীগ প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমর ও নওগাঁ-২ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শহীদুজ্জামান সরকারসহ আরও কয়েকজন প্রার্থীকে শোকজ করা হয়েছে। অবশ্য শোকজের পর অনেকেই কমিটির সামনে হাজির হয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে ঝালকাঠি-১ আসনে আলোচিত আওয়ামী লীগ প্রার্থী মুহাম্মদ শাহজাহান ওমর মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি প্রায় ১৫ মিনিটের মতো সিইসির দফতরে ছিলেন। তবে তিনি সাক্ষাতের বিষয়ে গণমাধ্যমকে মন্তব্য করতে রাজি হননি। উল্টো দুর্ব্যবহার করেন সাংবাদিকদের সঙ্গে।

মঙ্গলবার বেলা ২টার পরে তিনি নির্বাচন কমিশন ভবনে আসেন সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। তবে কেন নির্বাচন ভবনে এসেছেন—এই বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে বলেন, ‘ইসিতে কেন এসেছি আপনাকে কেন বলবো। আমি কেন এসেছি এ বিষয়ে আপনাদের জবাবদিহি করতে হবে? আমি এমনিতেই ঘুরতে এসেছি, আপনাদের দেখতে এসেছি।’ কয়েকজন সাংবাদিক ছবি তুলতে চাইলে তিনি রেগে যান। ছবি তোলা ও প্রশ্ন করায় সাংবাদিকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন শাহজাহান ওমর। এমনকি সাংবাদিকদের ক্যামেরায় থাবাও মারতে যান।

ইসিতে কেন এসেছেন প্রশ্নে শাহজাহান ওমর বলেন, ‘পেপারে দেখে নিয়েন।’ আপনি আইন ভঙ্গ করেছেন কিনা- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনি আইন জানেন? কে বললো আমি আইন ভেঙেছি?’

শাহজাহান ওমর নির্বাচনি এলাকায় সমাবেশে অংশগ্রহণ ও বক্তব্য দেওয়া এবং তার পাশে পাশে বন্দুক হাতে একজনকে দেখা যাওয়ার বিষয়টিও শোকজ নোটিশে তুলে ধরা হয় এবং মঙ্গলবারের মধ্যে তাকে জবাব দিতে বলা হয় ইসি থেকে।

এদিকে আচরণবিধি ভঙ্গ করায় প্রার্থীদের একের পর এক শোকজ করা হলেও কোনও ব্যবস্থা কেন নেওয়া হচ্ছে না, জানতে চাইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু বলবো না।’

মঙ্গলবার নির্বাচন ভবনে স্থাপিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আপিল আবেদন গ্রহণ কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে তিনি এমন অপারগতা প্রকাশ করেন। বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, ঝালকাঠি-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর নির্বাচন কমিশনে কেন এসেছিলেন—জানতে চাইলে জবাবে সিইসি বলেন, ‘ওটা আমার বিষয় না।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।