• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

নিজেদের পতনকে অনুভব করতে পারছে সরকার : ১২ দলীয় জোট

Reporter Name / ১৫৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৩

১২ দলীয় জোটের নেতারা বলেছেন, আওয়ামী লীগ জোর করে নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে তাড়াহুড়া করে তফসিল ঘোষণা করিয়েছে। এখন আবার ওবায়দুল কাদেররা বলেন নির্বাচন কমিশন চাইলেই নির্বাচন পিছাতে পারবেন। কারণ তারা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে নিজেদের পতনকে অনুভব করতে পারছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টায় রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগ ও অবৈধ তফসিল বাতিলের দাবিতে চলমান অবরোধের সমর্থনে ১২ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নেতারা এসব কথা বলেন।

নেতারা বলেন, ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ‘জি-২০ লিডারস সামিট ২০২৩’-এর বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্ব বাঁচাতে যুদ্ধকে না বলুন। উনি বিশ্ব নিয়ে চিন্তা করেন। অথচ তার সরকার নিজের দেশের মানুষকে ভাতে এবং আঘাতে মারতে শুরু করেছে। জনগণের ভোটাধিকার হরণ ও গণতন্ত্রকে হত্যা করে চলেছে। তাই আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, দেশ বাঁচাতে, গণতন্ত্র বাঁচাতে এই সরকারকে না বলুন।

ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে জনগণকে রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানিয়ে জোট নেতারা আরও বলেন, বর্তমানে দেশে চরম পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শহর-গ্রামের মানুষের অবস্থা এখন দুর্ভিক্ষের তালিকায় পৌছে গেছে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে নিত্যপণ্যের দাম। মানুষ অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। তাই দেশের মানুষকে এই সরকারের হাত থেকে মুক্তি দিতে ১২ দলীয় জোট রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক এমপি নওয়াব আলী আব্বাস খান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান, মো. ফারুক রহমান, জাতীয় পার্টির হান্নান আহমেদ খান বাবলু, কামাল উদ্দিন, কাজী মোঃ নজরুল , জাগপার অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, আসাদুর রহমান খান, বাংলাদেশ এলডিপির এম এ বাশার, বাংলাদেশ জাতীয় দলের শামসুল আহাদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মাওলানা রশীদ বিন ওয়াক্কাস, মুফতী আতাউর রহমান খান, মাওলানা এমএ কাশেম ইসলামাবাদী, ইসলামী ঐক্য জোটের মোঃ ইলিয়াস রেজা, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মোঃ হুমায়ুন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, যুব জাগপার নজরুল ইসলাম বাবলু, এলডিপির যুবদলের, যুব জমিয়তের মুফতী কামরুজ্জামান কাসেমী, ছাত্র সমাজের কাজী ফয়েজ আহমেদ, মেহেদী হাসান,ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের নিজাম উদ্দিন আল আদনান, ছাত্র সমাজের ফাহিম হোসাইন প্রমূখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।