• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

এমপি প্রার্থী হতে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের পদত্যাগ

Reporter Name / ১৫৬ Time View
Update : সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৩
এমপি প্রার্থী হতে কুড়িগ্রামে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের পদত্যাগ
এমপি প্রার্থী হতে কুড়িগ্রামে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের পদত্যাগ

প্রিয়জন ডেস্কঃ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. জাফর আলী। আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-২ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে ম‌নোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশায় তিনি এই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার দুপুরে নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকায় অবস্থানরত জাফর আলীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ‘সংসদ নির্বাচনে দলীয় ম‌নোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশায় সোমবার দুপুর ১২টার দি‌কে মন্ত্রণালয়ে গি‌য়ে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। আমি আশা করি, দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমা‌কে কুড়িগ্রাম-২ আসন থেকে ম‌নোনয়ন দেবেন।’

সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা বলেন, ‘জেলায় সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তরান্বিত করার পাশাপাশি দল‌কে আরও শক্তিশালী করার জন্য কুড়িগ্রাম সদর আসনে সংসদ সদস্য হি‌সে‌বে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী প্রয়োজন। আশা কর‌ছি প্রধানমন্ত্রী সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নি‌য়ে আমা‌কে ম‌নোনয়ন দেবেন।’

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. জাফর আলী ছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত আইনজীবী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্রাহাম লিংকনসহ কুড়িগ্রাম-২ আসন থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ জন  দলীয় ম‌নোনয়নপত্র কিনেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।