• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

সিলেটে বাম গণতান্ত্রিক জোটের মিছিলে পুলিশের বাধা

Reporter Name / ১৫৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৩

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক জোটের ডাকা অর্ধদিবস হরতালে সিলেটে দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়েছে। তবে সকালে হরতালের সমর্থনে জিন্দাবাজারে বাম গণতান্ত্রিক জোটের মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এরপর পুলিশ পথ ছেড়ে দিলে মিছিলটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) সকালে জিন্দাবাজার এলাকার সমবায় ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে বাম জোটের হরতাল ও বিএনপির ডাকা অবরোধে সিলেটে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যান চলাচল কম দেখা গেছে। দূরপাল্লার বাসও সিলেট ছেড়ে যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতাকর্মীরা আজ সকালে সিলেট নগরের চৌহাট্টা এলাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হতে থাকেন। সকাল পৌনে ৯টার দিকে তারা সেখান থেকে হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করেন। মিছিলটি চৌহাট্টা এলাকা ঘুরে জিন্দাবজার হয়ে বন্দরবাজার এলাকা হয়ে ফেরার পথে জিন্দাবাজার এলাকার সমবায় ভবনের সামনে একদল পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। সেখানে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নেতাকর্মীদের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। পরে নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের কথা বললে পুলিশ পথ ছেড়ে দেয়। এরপর মিছিলটি আবারও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় এসে শেষ হয়।

এদিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগর কাশিকাপন এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন

জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, গত বুধবার ঘোষিত তপশিল জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছেন। অবরোধ কর্মসূচি সফল করতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ছি না।

সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।