• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

অস্ত্র হাতে কিশোর গ্যাংয়ের ভিডিও ভাইরাল, আটক ৭

Reporter Name / ১৫৩ Time View
Update : বুধবার, ১ নভেম্বর, ২০২৩

রাজশাহী নগরীর শাহ মখদুম থানা এলাকায় দেশীয় বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উচিয়ে একদল কিশোরের উল্লাস করার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ প্রশাসন। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্যকে নগরীর শাহ মখদুম থানা পুলিশ আটক করেছে। বর্তমানে তাদের শাহ মখদুম থানা হেফাজতেই রাখা হয়েছে।

আটকরা হলেন, মো. মাসুমের ছেলে মো. সোহেল রানা (২১), মো. রাজু আহমেদের ছেলে মো. মনিরুল ইসলাম অপূর্ব (২২), মো. নজরুল ইসলামের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম সম্রাট (২১), আব্দুর রহিমেরে ছেলে মো. নাজমুস সাকিব আবির (২১), রিপন শেখের ছেলে মোহাইমিনুল শেখ (২০), মো. জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. জিসাদ এবং মো. সালাম হোসেনের ছেলে মো. মারুফ হোসেন। আটকদের বাড়ি নগরীর শাহ মখদুম থানাধীন চকপাড়া দুরুলের মোড় এলাকায়।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (শাহ মখদুম জোন) নূর আলম সিদ্দিকী বলেন, অস্ত্র হাতে একদল কিশোরের নাচানাচির একটি ভিডিও আমাদের নজরে আসে। এরপর মঙ্গলবার রাতভর ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কিশোর গ্যাংয়ের সাত সদস্যকে আমরা আটক করি। আটককৃত কিশোরদের সবার বয়স ১৮ বছরের উপরে। এসময় ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি কিশোরদের আটকের চেষ্টা চলছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর হাতে রামদা, চাইনিজ কুড়াল, চাকুসহ নানা ধরনের অনেক অস্ত্র হাতে খোলা আকাশের নিচে একদল কিশোরের উল্লাস করার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা এই কিশোরদের খোঁজ শুরু করে।

ভিডিওটি ছিল ১৯ সেকেন্ডের। অস্ত্র হাতে তালেবানি কায়দায় একদল কিশোর নাচানাচি আর উল্লাস করছে। সঙ্গে বাদ্যও বাজছে। তালে তালে কিশোররা নাচছে। তাদের হাতে রামদা, চাইনিজ কুড়াল, চাকুসহ নানা ধরনের অনেক অস্ত্র। একজন এরই মধ্যে বলছে, ‘এই মাইর‌্যা দিস না রে বাপ’! স্থানীয়রা জানান, তিন দিন আগে গাংপাড়া এলাকার কিশোর গ্যাং সদস্যরা চাঁদাবাজির টাকায় খাওয়া-দাওয়া করে অস্ত্র হাতে নাচানাচি করে শো-ডাউন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। স্থানীয়ভাবে এরা আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের ছত্রছায়ায় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহ মখদুম অঞ্চলের উপপুলিশ কমিশনার নুর আলম সিদ্দিকী  বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বন্ধে আগে থেকেই রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গত মঙ্গলবার যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে তা আজ থেকে পাঁচ মাস আগের। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা এ বিষয়টি স্বীকার করেছে। সম্প্রতি কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। যে দুই কিশোর আহত হয়েছিল তারা ভিডিও ভাইরাল হওয়া কিশোর দলের সদস্য। আহত হওয়ার পর নিজেদের অবস্থান জানান দিতে পূর্বের এই ভিডিওটি তারা ভাইরাল করেছে।

তিনি আরও বলেন, আমি আটক হওয়ার কিশোর সবার সাথে কথা বলেছি। তাদের প্রত্যেকের বয়স ১৮ বছরের উপরে। তারপরও তাদের বয়সের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।