• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

গাজায় জ্বালানিসংকট: জাতিসংঘের সহায়তা কার্যক্রম কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হতে পারে

Reporter Name / ১৭২ Time View
Update : বুধবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৩

গাজায় ত্রাণ খালাস করে সীমান্তে ফিরে আসে ট্রাকটি। এ সময় মিসরীয় সহায়তাকর্মীরা আনন্দ প্রকাশ করেন। ২১ অক্টোবর, মিসর-গাজা সীমান্তের রাফাহ ক্রসিংয়ে

তীব্র জ্বালানিসংকটের মধ্যে রয়েছে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা। এতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সেখানকার মানবিক সহায়তা কার্যক্রম। জাতিসংঘ বলছে, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ করা না হলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাদের সহায়তা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

আজ বুধবার জাতিসংঘের পক্ষ থেকে এমন কথা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বসংস্থাটি আবারও যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।

জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ বলেছে, ১৮ দিন ধরে গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। সেই সঙ্গে পুরোপুরি অবরোধ করে রাখা হয়েছে ফিলিস্তিনি এ ভূখণ্ড। এ পরিস্থিতির মধ্যে গাজার লাখো মানুষের জন্য জরুরি মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। কিন্তু জ্বালানিসংকট বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন

হামাস লাভবান হবে, তাই গাজায় যুদ্ধবিরতি চায় না যুক্তরাষ্ট্র: মিলার

ইউএনআরডব্লিউএ সতর্ক করে বলেছে, ‘যদি জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহ করা না হয়, তাহলে আমরা গাজায় আমাদের কার্যক্রম গুটিয়ে নিতে বাধ্য হব।’ সংস্থাটি গাজায় প্রায় ছয় লাখ বাস্তুচ্যুত গাজাবাসীকে ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছে।

৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এর পরপরই গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েল সরকারের তথ্য, হামাসের হামলায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, আটক করা হয়েছে ২২২ জন ইসরায়েলিকে।

অন্যদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য, ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলায় ৫ হাজার ৭০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শিশুর সংখ্যা দুই হাজারের বেশি। গতকাল মঙ্গলবার এক দিনেই প্রাণ গেছে সাত শতাধিক মানুষের। জাতিসংঘের হিসাবে, গাজায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে প্রায় ১৪ লাখ মানুষ।

আল-আকসা মসজিদ বন্ধ করেছে ইসরায়েল, গাজায় এক দিনে নিহত ৭০৪

বাস্তুচ্যুত অনেকে গাজার হাসপাতালগুলোয় আশ্রয় নিয়েছে। হামলায় হতাহত ব্যক্তিদের ভিড়ে উপচে পড়ছে হাসপাতাল। বিপুলসংখ্যক গাজাবাসীর জন্য কয়েক ট্রাক ত্রাণ মিসর সীমান্ত দিয়ে গাজায় প্রবেশ করেছে। ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট গতকাল আট ট্রাক ত্রাণ পেয়েছে।

গাজাবাসীর জন্য এসব ট্রাকে জরুরি ওষুধ, খাবার ও পানি পাঠানো হয়েছে। তবে অবরুদ্ধ গাজায় বাইরে থেকে জ্বালানি নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে তীব্র জ্বালানিসংকটের মুখোমুখি হয়েছে গাজা। আর এ সংকট মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে রাশ টানার পরিস্থিতি তৈরি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।