• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

তত্ত্বাবধায়কের অধীনেই জাতীয় নির্বাচন করতে হবে : মুজিবুর রহমান

Reporter Name / ১৪৮ Time View
Update : সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

ডেস্ক নিউজঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। তারা দেশের সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে। বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি।

আজ রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে মাগুরা জেলা জামায়াতের ভার্চুয়াল কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী সরকারের প্রতি জনগণের কোনো আস্থা নেই। অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য এবারও তারা প্রহসনের নির্বাচনের পাঁয়তারা করছে। সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, ২০১৪ ও ২০১৮ এর মতো সাজানো প্রহসনের নির্বাচন জনগণ কিছুতেই মেনে নিবে না। বরং প্রতিহত করবে। জা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

মায়াতে ইসলামীর দাবি সরকারকে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। আগামী নির্বাচনে দেশের জনগণ তাদের পছন্দের সরকার প্রতিষ্ঠা করেই ছাড়বে, ইনশাআল্লাহ। এ লক্ষ্যে দেশে গণআন্দোলন গড়ে তোলার জন্য আমি দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণিপেশার মানুষের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

জেলা আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক এমবি বাকেরের সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক সাইদ আহমেদ বাচ্চুর সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মো. মোবারক হোসাইন, মাগুরা জেলার সাবেক আমির আব্দুল মতিন, জেলা জামায়াতের তারবিয়াত সেক্রেটারি আব্দুল গাফফার, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. ইব্রাহিম বিশ্বাস, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মাওলানা মারুফ কারখি, সদর থানা আমির ও মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফারুক আহমেদ, মহম্মদপুর উপজেলা আমির মাওলানা কবীর হুসাইন, শালিখা উপজেলা আমির মাওলানা আলমগীর হোসেন, শ্রীপুর উপজেলা আমির মাওলানা অধ্যাপক ফখরুদ্দিন মিজান, সদর উপজেলা দক্ষিণের আমির মাওলানা শফিকুর রহমান বাচ্চু, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

দলের কর্মীদের উদ্দেশে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, নেতাকর্মীদের আরও বেশি করে জানমালের নজরানা পেশ করতে হবে। জামায়াতের প্রত্যেক কর্মীকে বেশি বেশি সালাম দেওয়া অভ্যাসে পরিণত করতে হবে, অসহায় ও ক্ষুধার্ত মানুষকে খাবার দিতে হবে এবং নিয়মিত তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মো. মোবারক হোসাইন বলেন, মানবসভ্যতা ও যুদ্ধবিধ্বস্ত পৃথিবীকে বাঁচাতে রাসুল সা.-এর আদর্শ অনুসরণই একমাত্র পথ। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রিয় জন্মভূমির সবুজ ভূখণ্ডে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তিনি জামায়াত কর্মীদের দাওয়াতি কাজের মাধ্যমে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে কুরআন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।