• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

ঢাকাকে টার্গেট করেই সরকার পদত্যাগের কর্মসূচি বিএনপির

Reporter Name / ১৫৮ Time View
Update : বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০২৩

আন্দোলনের সূতিকাগারখ্যাত ঢাকার রাজপথ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চায় বিএনপি। তাই ঢাকাকে টার্গেট করেই চূড়ান্ত করা হয়েছে সরকার পদত্যাগের কর্মসূচি। দলটির নেতারা মনে করেন, বিগত আন্দোলনে মহানগরের ব্যর্থতায় ক্ষমতাসীন দলের দখলে ছিল রাজধানী। তাই চূড়ান্ত সফলতা পাওয়া যায়নি। তাই এবার ঢাকাকে দখলে রাখার পরিকল্পনা নিয়ে সেই লক্ষ্যে কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সারা দেশে কর্মসূচি না দিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের রাজধানীতে আনার সিদ্ধান্ত হয়। মহানগর নেতাকর্র্র্মীদের সঙ্গে রাজপথে থেকে আন্দোলনে ভূমিকা রাখবেন তারা। দেড় মাস ধরে সব সাংগঠনিক জেলার নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দশ সাংগঠনিক বিভাগ ধরে এ বৈঠক হয়। রংপুর বিভাগ থেকে শুরু করে ময়মনসিংহ বিভাগ দিয়ে শুক্রবার যা শেষ হয়। এতে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলাপের পাশাপাশি আন্দোলন সফলে করণীয় নিয়েও জেলার নেতাদের পরামর্শ নেন হাইকমান্ড। শুরুর দিকে নেতাদের বক্তব্যের সুযোগ দিলেও শেষের চার বৈঠকে শুধু ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বক্তব্য দেন। এতে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আন্দোলন সফল করার বিষয়ে সহযোগিতা চান। বৈঠকে জেলা নেতারা বলেন, যত বাধাই আসুক, প্রত্যেক জেলা থেকে হাজারো নেতাকর্মী রাজধানীতে থাকবেন। মহাসমাবেশে অংশ নিতে দু-একদিন আগেই রাজধানীতে পৌঁছানোর বিষয়টিও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে জানান নেতারা।

সূত্রমতে, সমাবেশ সফলে জেলা শাখার পাশাপাশি সব অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের নিয়েও নয়াপল্টনের কার্যালয়ে দফায় দফায় বৈঠক করছেন দলের হাইকমান্ড। এছাড়াও ঢাকা মহানগরের নেতারা থানা-ওয়ার্ড নিয়ে প্রস্তুতি সভা করেছেন। অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনকে স্ব স্ব জেলা শাখার বিএনপির সঙ্গে সমন্বয় করে একসঙ্গে মহাসমাবেশে যোগ দিতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা বিভাগের ১১টি সাংগঠনিক জেলা শাখার নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চায় বিএনপি।

ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ ‘ঢাকা বিভাগের সব জেলাসহ সারা দেশের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ মহাসমাবেশে অংশ নেবেন। এজন্য যা যা করার, সেসব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আশা করি, পুলিশ নেতাকর্মীদের আসতে বাধা দেবে না। কারণ, আমরা ন্যায়সংগত অধিকারের পক্ষে রাস্তায় নেমেছি। ন্যায়সংগত অধিকারের পক্ষে পুলিশসহ সব প্রশাসন থাকবে বলে আমাদের বিশ্বাস।’

সূত্রমতে, মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে ৮২ সাংগঠনিক জেলার শীর্ষ নেতাদের অধিকাংশই ইতোমধ্যে রাজধানীতে অবস্থান করছেন। তারা নিজ নিজ জেলার উপজেলা, পৌর, ওয়ার্ডসহ সব পর্যায়ের ইউনিটে প্রস্তুতি সভা শেষ করে নেতাকর্মীদের নিয়ে এসেছেন। কাউকে হোটেলে অবস্থান করতে কেন্দ্র থেকে নিষেধ করা হয়েছে। বরিশালের উজিরপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (খান সোহাগ)  বলেন, ‘দেশনায়ক তারেক রহমানের ডাকে আমরা মহাসমাবেশে অংশ নেওয়ার জন্য মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় পৌঁছেছি। আত্মীয়ের বাসায় উঠেছি। আমার মতো কয়েক হাজার নেতাকর্মী বরিশাল থেকে ইতোমধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছে।

মানিকগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাাদক এসএ জিন্নাহ কবির বলেন, ইতোমধ্যে সব উপজেলার প্রস্তুতি সভা শেষ হয়েছে। এ যাবৎকালের সবচেয়ে বেশি নেতাকর্মী মহাসমাবেশে অংশ নেবেন। সেক্ষত্রে হেটে হলেও বুধবারের (আজ) মধ্যে ১৫ হাজারের অধিক নেতাকর্মী রাজধানীতে পৌঁছাবেন।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল বলেন, ‘গণমানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য জাতীয়তাবাদী শক্তির সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ভ্যান গার্ডের ভূমিকা পালন করছে। আমাদের অসংখ্য সহযোদ্ধা গুম-খুন-হত্যার শিকার হয়েছেন। তারপরও মৃত্যুর উপত্যকায় দাঁড়িয়ে আমরা মুক্তির স্লোগান দিই। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, একটি আদর্শিক আন্দোলনে রয়েছি। সুতরাং মহাসমাবেশে স্মরণকালের শ্রেষ্ঠতম ইতিহাস সৃষ্টি করবে ছাত্রদল। সেই প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।