• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

বিএনপি নেতা মিনুর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update : রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩

টকশোতে ‘আপত্তিকর ও মানহানিকর’ বক্তব্য দেওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করেছেন রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক।

নিজে বাদী হয়ে রোববার সকালে ঢাকায় বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫(২) ও ২৯(১) ধারায় মামলার আবেদন করেন এমপি এনামুল হক। সংসদ সদস্য ইঞ্জি. এনামুল হকের পক্ষে সাইবার আদালতে মামলাটি দাখিল করেন অ্যাডভোকেট পারভেজ হোসেন।

আইনজীবী জানান, দিনের দ্বিতীয়ভাবে বিজ্ঞ আদালত এ বিষয়ে আদেশ দেবেন।

মামলার এজাহারে সংসদ সদস্য এনামুল হক বলেন, গত ১৯ জুলাই রাত ১টার সময় ও পরের দিন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে প্রচারিত একটি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, এনামুল সাহেব বাগমারার। জীবনে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ কিছুই করতে দেখিনি। বরং বগুড়ায় যখন পড়াশোনা করত তখন শিবিরের প্রেসিডেন্ট ছিল। এ ধরনের দেওয়া বক্তব্যে তার ব্যাপকমাত্রায় মানহানি ও সমাজে মর্যাদাহানি হয়েছে বলে অভিযোগ বাদীর।

বাদী আরও বলেন, তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করেন। তিনি জীবনে কোনো দিন শিবিরের রাজনীতিতে ছিলেন না। জনগণের ভোটে রাজশাহী-৪ আসনে তিনবার সংসদ সদস্য হয়েছেন। এ ছাড়া দেশের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাও বটে।

অন্যদিকে এজাহারে আসামি মিনু সম্পর্কে বলা হয়েছে তিনি একাধারে রাজশাহী সিটির মেয়র ও রাজশাহী-২ (সদর) সংসদ সদস্য ছিলেন। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবও ছিলেন। তবে মিজানুর রহমান মিনু স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করতে ২০০১ সালে বাংলা ভাইসহ জঙ্গিদের রাজশাহীর মাঠে নামান। যারা রাজশাহীর বাগমারাসহ বিভিন্ন স্থানে নিরপরাধ মানুষের ওপর ভয়াবহ নির্যাতন চালায়।

এমপি এনামুল হক আরও বলেন, বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু কোন নির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ ছাড়াই টেলিভিশন টকশোতে তার সম্পর্কে অত্যন্ত আপত্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন যার কোনো প্রমাণই তার কাছে নেই। তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং প্রতিকার পেতে আইনের দ্বারস্থ হয়েছেন।

মামলার আবেদনের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, আমার দীর্ঘ ৫০ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার। আমি অনেক উত্থান পতন দেখেছি। আমি যা জানি তাই বলেছি। মামলা হলে আইনি প্রক্রিয়ায় তা মোকাবিলা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।