• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

রাজশাহীতে মাদক কারবারিদের হামলায় নিহত ২

Reporter Name / ১৮১ Time View
Update : বুধবার, ১৯ জুলাই, ২০২৩

রাজশাহীর পবা উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় মাদক কারবারিদের সশস্ত্র হামলায় দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন- চরমাজাড়দিয়াড় এলাকার আবু সাঈদ (৩০) এবং হরিপুর বেড়পাড়ার হাবিবুর রহমান ওরফে হাবিব (৩৮)। সাঈদ এবং হাবিবকে হত্যার ঘটনায় দামকুড়া থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, চরমাজাড়দিয়াড় এলাকায় মধ্যপাড়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে আবু সাঈদের সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে ওই এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের বিরোধ ছিল। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে হাড়–পাড়া ব্রিজের কাছে চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের সদস্য চরমাজারদিয়াড় স্কুলপাড়ার শাহিন, কামাল, কাবিল ও শামসুলের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জন সাঈদের পথরোধ করে।

এরপর তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনার পরে স্থানীয়রা সাঈদকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা সাঈদকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, নিহত সাঈদের মরদেহ ময়নাতদন্তের পর বুধবার দুপুরে নিকটাত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় দামকুড়া থানায় সাঈদের স্ত্রী বিথি খাতুন বাদি হয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

অপরদিকে পবা উজেলার হরিপুরের বেড়পাড়ায় মাদক কারবরিদের হামলায় নিহত হাবিবের মরদেহ মঙ্গলবার বিকালে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহত হাবিব বেড়পাড়া এলাকার গোলাপের ছেলে।

দামকুড়া থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বেড়পাড়ার পার্শ্ববর্তী সোনাইকান্দি এলাকার ঈশার সঙ্গে ফেনসিডিলের টাকা নিয়ে নিহত হাবিবের বিরোধ ছিল। এ  ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১০ জুলাই রাতে এলাকার মাদক কারবারিদের গডফাদার সোনাইকান্দির সোহেল ও ঈশার নেতৃত্বে অজ্ঞাত ৭ থেকে ৮ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে হাবিবের ওপরে হামলা চালায়।

এরপর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাবিবকে ঢাকার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঢাকায় হাসপাতালে ৮ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মঙ্গলবার মৃত্যুবরণ করেন হাবিব।

ওসি মশিউর রহমান আরও জানান, গত ১০ জুলাই রাতেই নিহত হাবিবের বাবা গোলাপ বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৭ থেকে ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় গত রোববার ১নং আসামি ঈশাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্যান্য অসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।