• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

এই এক দফার কর্মসূচি তো আমরা বহু দেখেছি: হানিফ

Reporter Name / ১৩৫ Time View
Update : সোমবার, ১০ জুলাই, ২০২৩

আাগামী ১২ জুলাই ঢাকায় বিএনপির তারণ্যের সমাবেশ থেকে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০১৩ সালে যখন সরকার পতনের একদফা আন্দোলনের কর্মসূচি দিয়েছিল তারপর থেকে সেই একদফা কর্মসূচিইতো আছে। তাহলে তখন ওইটা কি কর্মসূচি ছিল।

সোমবার (১০ জুলাই) বেলা ১২টায় কুষ্টিয়ার হরিপুরে গড়াই নদী ভাঙন পরিদর্শন ও নদীর তীর
সংরক্ষণ কাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হানিফ এসব কথা বলেন। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন হানিফ।

হানিফ বলেন, এই এক দফার কর্মসূচি তো আমরা বহু দেখেছি। বাংলদেশে আমাদের কুটনৈতিক বিদেশী মেহমানরা আসছেন এই সব বিদেশী কুটনৈতিক মেহমানদের কাছে নিজেদের শোডাউনের মাধ্যমে শক্তি ও সাংগঠনিক অবস্থা জাহির করার জন্য তারা ১২ তারিখে একটা কর্মসূচি দিয়ে স্টান্ডবাজী করছেন।

হানিফ আরও বলেন, বিএনপির মূল ভরসার জায়গা হচ্ছে বিদেশী ষড়যন্ত্র কারণ বিএনপির দেশের জনগণের সঙ্গে কোন সম্পর্ক নাই দেশের জনগণ তাদের পক্ষেও নাই। দেশের জনগণ যদি পক্ষে না থাকে তাহলে কোন আন্দোলনও সফল হয় না। এই কথা আমরা বহুবার বলেছি এটা বিএনপিও জানে। জানে বলেই তাদের এখন মূল ভরসার জায়গা বিদেশী ষড়যন্ত্রের ওপরে। এতে কিছু যায় আসে না। এদেশে মাটি মানুষের দল হচ্ছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের শেকড় বাংলার মাটির অনেক গভীরে। আন্দোলন করে আওয়ামী লীগ সরকারকে পতন ঘটানোর ক্ষমতা বিএনপির নাই।

হানিফ আরও বলেন, বিএনপি মুখে এক কথা বলছেন আর ভেতরে ভেতরে নির্বাচনের প্রস্ততি নিচ্ছেন। বিএনপি আসলে সরকার পতনের আন্দোলনের কথা বলে তাদের জনবিছিন্ন কর্মীদের মনোবল ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। বিএনপির লক্ষ নির্বাচনে যাওয়া। হানিফ বলেন, বিএনপির স্বভাব হচ্ছে সবসময় দ্বি-চারিতা টাইপের। ওরা মুখে এক কথা বলে আর কাজ করে তার উল্টো। বিএনপির ঠকবাজী এসব কর্মকান্ড দেশের জনগণ জানে অতএব এবার দেশের জনগনগণকে
কোন কিছু করেই বিভ্রান্ত করা যাবে না।

তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী এই সরকারের অধীনেই হবে এবং আমার বিশ্বাস বিএনপি সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারে অধীনে যে নির্বাচন হবে সেই
নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করবে। আর যদি বিএনপি সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তাহলে তারা অস্তিত্ব সংকটে পড়বে।

জেলার নদী ভাঙন প্রসঙ্গে হানিফ বলেন, পদ্মা ও গড়াই নদীর ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী
প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।

এ সময় কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, মিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিনসহ দলীয় নেতাকর্মী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।