• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

এশিয়া কাপের ভেন্যু চূড়ান্ত, যা জানা গেলো

Reporter Name / ১৫৫ Time View
Update : রবিবার, ৯ জুলাই, ২০২৩

নানা নাটকীয়তার পর আসন্ন এশিয়া কাপের ভেন্যু চূড়ান্ত হয়েছে। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে যৌথভাবে এবার এ টুর্নামেন্ট আয়োজিত হবে। তবে এখনও এশিয়া কাপের সূচি চূড়ান্ত হয়নি। আগামী ৯ থেকে ১৬ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে আইসিসির সভা হবে। সেখানেই এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের ফাইনালি দিনক্ষণ জানা যাবে।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, ওই সভায় এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি এবং বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিসিআই) জেনারেল সেক্রেটারি জয় শাহ উপস্থিত থাকবেন।

এতে হাজির থাকবেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবং শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের (এসএলসি) কর্মকর্তারাও। পিসিবির হয়ে এ সভায় যোগ দেবেন ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান জাকা আশরাফ। সেখানে পিসিবি ও এসএলসির সূচি চূড়ান্ত করার কথা জয় শাহ’র।

আগামী ৩১ আগস্ট পর্দা উঠবে এশিয়া কাপের। ক্রিকেটে মহাদেশীয় এ যুদ্ধ চলবে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মূলত এ টুর্নামেন্টে আয়োজক পাকিস্তান। পরে যুক্ত হয়েছে শ্রীলঙ্কা। রাজনৈতিক টানাপোড়নে ভারত পাকিস্তানে খেলতে না চাওয়ায় এ পথে হাঁটে এসিসি। এ বছর এশিয়া কাপ হবে ওয়ানডে ফরম্যাটে। ২০২৩ ওডিআই বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও নেপাল অংশগ্রহণ করবে।

এবার শুরুতে দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে দলগুলো। সেখান থেকে সেরা দুটি দল সুপার ফোরে খেলবে। যেখান থেকে দুই দল ফাইনালে শিরোপার জন্য লড়বে। টুর্নামেন্টজুড়ে মোট ১৩ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে এশিয়া কাপের ভেন্যু নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। ভারতের আপত্তিতে পাকিস্তান থেকে টুর্নামেন্ট সরে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়।

পাকিস্তানের মাটিতে ভারত এশিয়া কাপ না খেলতে এলে বিশ্বকাপ বর্জনের হুমকি দেয় বাবররা। পরে হাইব্রিড মডেলের প্রস্তাব দেয় পিসিবি। সেই অনুযায়ী, পাকিস্তানে ৪টি আর বাকি ৯ ম্যাচ হবে শ্রীলঙ্কায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।