• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

Reporter Name / ১৪০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, ২০২৩

দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে চরমোনাই পিরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। শুক্রবারের এই সমাবেশ থেকে পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।যুগান্তরকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন দলের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, জাতীয় সরকার গঠন ও বর্তমান সরকারের পদত্যাগ দাবিতে তার দল আন্দোলনের মাঠেও থাকবে।

সাম্প্রতিক সময়ে সিটি করপোরেশনসহ প্রায় সব নির্বাচনে অংশ নিয়ে আলোচনায় আসে ইসলামী আন্দোলন। ঢাকার ২ সিটিতে ২ জনসহ দেশের বিভিন্ন পৌরসভায় ৫ কাউন্সিলর এবং ১৩ ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেন তাদের প্রার্থীরা। অন্যান্য নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীর পরই দাঁড়ায় তাদের ভোটের অবস্থান।

গাজীপুরে ভোটের হিসাবে তৃতীয় হলেও ৪৫ হাজারের বেশি ভোট পায় হাতপাখা। সর্বশেষ খুলনা ও বরিশাল সিটিতে নৌকার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয় ইসলামী আন্দোলন। বিএনপি নির্বাচন বর্জনের পর এভাবে নিজেদের ভোটের মাঠে ২য় শক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করে দলটি। নৌকার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আবহ তৈরির মাধ্যমে গ্রহণযোগ্যও করতে থাকে বর্তমান সরকারের সব নির্বাচন।

বক্তৃতা-বিবৃতিতে সরকারের বিরুদ্ধে কিছু না বলা আর বিএনপি ঘোষিত যুগপৎ আন্দোলনে না গিয়ে আওয়ামীঘেঁষা বলেও পরিচিতি পায় দলটি। কিছুদিন আগে বরিশালে এক জনসভায় ইসলামী আন্দোলনকে আওয়ামী লীগের বি-টিম বলে ঘোষণা দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর। ঢাকায় হেফাজতের ওপর হামলা, মামুনুল হক ও রফিকুল ইসলাম মাদানী গ্রেফতারসহ বিভিন্ন ইস্যুতে তাদের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। পরে অবশ্য ইসলামী আন্দোলনের পক্ষে এর তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।

১২ জুনের সিটি নির্বাচনে বরিশালে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দলের নায়েবে আমির সৈয়দ ফয়জুল করীম। কর্মী-সমর্থকদের কাছে যার পরিচয় শায়েখে চরমোনাই নামে। প্রায় ৩৪ হাজার ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হলেও ভোটের দিন ঘটে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা। নগরের কাউনিয়া ও চৌমাথা এলাকায় দুই দফা হামলা হয় ফয়জুলের ওপর। দ্বিতীয় দফা হামলায় রক্তাক্ত হন তিনি। এরপরই মূলত পালটে যায় দৃশ্যপট। বর্তমান সরকারের পতনের লক্ষ্যে আন্দোলনের ঘোষণা দেন ফয়জুল। আওয়ামী লীগকে জালেম আখ্যা দিয়ে পতন না হওয়া পর্যন্ত শরীরের শেষ রক্তবিন্দু ঢেলে মাঠে থাকার ঘোষণা দেন তিনি। সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল ও খুলনার ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন দলের আমির চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। একই সঙ্গে সিলেট ও রাজশাহী সিটি নির্বাচনে থাকা মেয়রপ্রার্থীদের প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন তিনি। সরকারের পতন দাবিতে ইসলামী আন্দোলন মাঠে নামবে উল্লেখ করে রেজাউল করীম বলেন, ‘নায়েবে আমিরের ওপর হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার দেশব্যাপী বিক্ষোভ হবে। সেই বিক্ষোভ থেকে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করব আমরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।