• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়: সৈকতে ঘুরতে গিয়ে নিহত ১, নিখোঁজ ২

Reporter Name / ১৫৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০২৩

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উত্তাল রয়েছে সাগর, তাই সৈকতে ঘুরতে যাওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয়দের আগেই সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু সতর্কতা উপেক্ষা করে সৈকতে ঘুরতে গিয়ে ১৬ বছরের এক কিশোর নিহত হয়েছে। উত্তাল সমুদ্রের পানিতে আরও দুজন নিখোঁজ রয়েছে। খবর এনডিটিভি

ভারতের মুম্বাইয়ের জহু সৈকতে এ ঘটনা ঘটে। ছেলেদের পাঁচজনের একটি গ্রুপ যাদের বয়স ১২ থেকে ১৬ বছর। তারা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে সৈকতে ঘুরতে যায়। কিন্তু তাদের নিষেধ করা সত্ত্বেও পানিতে নামে। পরে ঢেউয়ের তোড়ে তারা সবাই ভেসে যায়।

পরে দুজনকে জেলেরা উদ্ধার করে। একজন মারা যায় এবং বাকী দুজন এখনও নিখোঁজ রয়েছে। তাদের খোঁজে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

একজন বেসামরিক কর্মকর্তা জানান, রাত আটটার দিকে একটি হেলিকপ্টর মোতায়েন করা হয়। তবে নৌবাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে হেলিকপ্টর দিয়ে তাদের সন্ধান চালানো সম্ভব নয়। তাই হেলিকপ্টর মোতায়েন করা হয়নি।

তবে অন্যান্য সরঞ্জাম ব্যবহার করে নিখোঁজ দুই কিশোরের সন্ধান করলেও তাদের হদিস মেলেনি।

আবর সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের কারণে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করেছে। মুম্বাইয়ের আশপাশে স্থানীয় বাসিন্দারের সতর্ক করে সৈকতে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। জেলেদেরকেও সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। আগামী ১৫ জুন ঘূর্ণিঝড়টি গুজরাটের ওপর দিয়ে অতিক্রম করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।