• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

রাজশাহীতে ভোট বর্জন করেন হাতপাখার প্রার্থী মুরশিদ আলম

Reporter Name / ১৭০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০২৩

বরিশাল ও খুলনা সিটি নির্বাচনে ইভিএমের ভেতর ‘ভূত-পেত্নী’ দেখা গেছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে দলটির মেয়র প্রার্থী মুরশিদ আলম। তিনি বলেছেন, ইভিএমে হাতপাখায় টাচ করলে ভোট হয়ে যাচ্ছে  নৌকা প্রতীকে।

সোমবার বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হাতপাখার মেয়র প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীমের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিকালে রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশ থেকে আগামী ২১ জুন রাজশাহী সিটি নির্বাচনের ভোট গ্রহণের দিন কর্মীদের ভোট কেন্দ্র পাহারা দেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।

মুরশিদ আলম বলেন, নির্বাচন নিয়ে এরকম টালবাহানা চলবে না। আমরা এইরকম নির্বাচন দেখতে চাই না। বাংলাদেশের জনগণ এরকম টালবাহানার নির্বাচন দেখতে চায় না। এজন্য আগামী ২১ জুন রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সমস্ত নেতাকর্মীদের কেন্দ্রে পাহারা দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। ভোট চোরেরা কখনো যেন ভোট চুরি করে ক্ষমতায় যেতে না পারে। এজন্য আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে নির্বাচন কমিশন ডেকেছিল। আমি একটা বিষয়ে বলেছিলাম। আমার কথা শুনে সিইসি বারবার আমার দিকে ইঙ্গিত দিয়ে বলেছিলেন- আমরা ইভিএমের মধ্যে ভূত-পেত্নী দেখতে পাইনি। আজকে সকাল বেলায় আমরা দেখতে পেয়েছি বরিশাল-খুলনা নির্বাচনে। খুলনা নির্বাচনে আমরা দেখতে পেয়েছি, হাতপাখার ওপর যখন টাচ করছে ভোট দেওয়ার জন্য, টাচ লাগছে হাতপাখায়, যায় নৌকায়।

তিনি আরও বলেন, সেই দিন আমি একজন মেয়র প্রার্থী- আমাকে ইঙ্গিত দিয়ে সিইসি বলেছিলেন ইভিএমে ভূত-পেত্নী নেই। আজকে কেন প্রকাশ পেল ইভিএমের মধ্যে ভূত-পেত্নী আছে না নাই? সিইসি বলেছিলেন, সুন্দর-সুষ্ঠু একটা নির্বাচন দিবেন; কিন্তু ভোট শুরু হওয়ার আগে থেকেই হাতপাখার এজেন্টদের বের করে দেওয়া, কেন্দ্রে কেন্দ্রে হামলা পরিচালনা করেছে।

বরিশালে দলীয় মেয়র প্রার্থীর ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে রাজশাহীর মেয়র প্রার্থী বলেন, বরিশালে যে হামলা করা হয়েছে, অবিলম্বে সেই সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় শায়েখে চরমোনাই আমাদের যে আদেশ করবেন আমরা সেই আদেশ মানতে বাধ্য হব।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজশাহী জেলা শাখা এ সমাবেশের আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা কমিটির সভাপতি হুসাইন আহমেদ। বক্তব্য দেন- মহানগরের সভাপতি ইসহাক ইসলাম। এর আগে নগরীর শিরোইল এলাকার দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

মিছিলটি নগরীর রেলগেট, নিউমার্কেট, সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট, কুমারপাড়া ঘুরে আবার জিরোপয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান বিক্ষোভ মিছিলের সামনে অবস্থান করছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।