• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

রাজশাহীতে বড় ফেস্টুন অপসারণের নির্দেশ

Reporter Name / ১৭৯ Time View
Update : বুধবার, ৭ জুন, ২০২৩

রাজশাহী সিটি নির্বাচনের প্রচারণায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্ধারিত মাপের চেয়ে বড় আকারের ব্যানার-ফেস্টুনের ছড়াছড়ি। কেউ কম, কেউ বেশি; কিন্তু প্রায় সব প্রার্থীই এমন ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে নিজের প্রতীকের প্রচার চালাচ্ছেন। তবে এসব ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের জন্য ইসি নির্দেশ দিয়েছে।

এ নিয়ে প্রার্থীদের ২৪ ঘণ্টা সময়ও বেঁধে দেয়া হয়েছে। তবে প্রচার শুরুর আট দিন পর ইসির এমন নির্দেশ ভালোভাবে নিচ্ছেন না অনেক প্রার্থী। তারা বলছেন, কোনো কোনো প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এসব অসঙ্গতিপূর্ণ ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে নগরীকে ভরে ফেলেন। ইতিমধ্যে তাদের প্রচার হয়ে গেছে। শুরুতেই এ নিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়া রহস্যজনক।

রাজশাহী সিটি নির্বাচনের সব প্রার্থীকে নিয়ে বুধবার সকালে মতবিনিময় সভা করেন ইসি শাহাদত হোসেন চৌধুরী। সে সভায় উপস্থিত হলে কমিশনের পক্ষ থেকে এসব ব্যানার-ফেস্টুন সরিয়ে নেয়ার চিঠিটি প্রার্থীদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হয়। তবে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার সৈয়দ আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষর করেছেন মঙ্গলবার।

ওই চিঠিতে বলা হয়, অধিকাংশ মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীর ব্যানার-ফেস্টুন সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা-২০১৬ অনুযায়ী নির্ধারিত মাপ ৬০ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্য এবং ৪৫ সেন্টিমিটার প্রস্থের চেয়ে বড়। এসব ব্যানার-ফেস্টুন ইসি শাহাদত হোসেন চৌধুরীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এগুলো আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে না নেয়া হলে প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত আকারের চেয়ে বড় ব্যানার-ফেস্টুন ব্যবহার একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি বিধি লঙ্ঘন করলে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এছাড়া এ ধরনের অপরাধের কারণে ইসি কোনো প্রার্থীর প্রার্থিতাও বাতিল করতে পারে।

ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের এমন নির্দেশনা নিয়ে জানতে চাইলে গণসংহতি আন্দোলন সমর্থিত স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মুরাদ মোর্শেদ বলেন, প্রতীক বরাদ্দের দিনই আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর এসব অসঙ্গতিপূর্ণ ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে পুরো নগরীকে দখল করে নেয়া হয়। এতো দিনে তার প্রচার হয়েই গেছে। ইসি এতোদিন কেন নিশ্চুপ ছিল তা এক বড় প্রশ্ন। ইসির এ ধরনের আচরণ নির্বাচনের লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।