• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

আজ বিক্ষোভ করবে না জামায়াত, ছুটির দিনে কর্মসূচি ঘোষণা

Reporter Name / ১৩৯ Time View
Update : সোমবার, ৫ জুন, ২০২৩

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ এলাকায় পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ সোমবার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করার কথা ছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর। পুলিশ অনুমিত না দেওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে দলটি। সংঘাত এড়াতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মতিউর রহমান আকন্দ এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির কর্মসূচি স্থগিত করার এই ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, আগামী ১০ জুন শনিবার ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করবে জামায়াত।

দলটির নেতারা বলেছেন, পুলিশ যেহেতু সোমবার কর্মদিবস ও অফিস-আদালত সবকিছু খোলা থাকার যুক্তি দেখিয়ে কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেয়নি, তাই আজকের কর্মসূচি স্থগিত করে সাপ্তাহিক ছুটির দিন আগামী শনিবার ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করবে জামায়াত।

এর আগে গতকাল রোববার জামায়াতকে সমাবেশ ও মিছিলের অনুমতি না দেওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জানমালের নিরাপত্তা ও অফিস–আদালত খোলা থাকায় ৫ জুন জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পুলিশের নিষেধ অমান্য করে আইনশৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটিয়ে সমাবেশ করতে চাইলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

পুলিশের এমন ঘোষণা সত্ত্বেও কর্মসূচি পালনের ব্যাপারে অনড় ছিল জামায়াত। তবে আজ দলটি তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল। পাশাপাশি সাপ্তাহিক ছুটির দিন আগামী শনিবার তাদের কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিল।

জামায়াতের দায়িত্বশীল একাধিক নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন। তারা জানান, জামায়াত শান্তিপূর্ণ, নিয়মতান্ত্রিক ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দল। তাই সংঘাত এড়াতে কর্মসূচি পালন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেহেতু প্রশাসন বলেছে যে, কর্মদিবসে নয়, ছুটির দিন হলে অনুমতি দেবে; তাই আমরা আজ কর্মসূচি পালন না করে ছুটির দিনে বিক্ষোভের অনুমতি চাইব।

প্রসঙ্গত, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, দলের আমিরের মুক্তিসহ বেশ কিছু দাবিতে সম্প্রতি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয় জামায়াত। এ বিষয়ে অনুমতি নিতে গত সোমবার দলটির চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কার্যালয়ের গেটে গেলে তাদের আটক করা হয়। তবে কয়েক ঘণ্টা পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।