• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

এ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল

Reporter Name / ১৫৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১ জুন, ২০২৩

নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ইস্যুতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেছেন, এ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট সম্ভব নয়। নানা চাপে পড়ে তারা হয়তো সুষ্ঠু ভোটের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। কিন্তু এদের বিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, অতীতে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও সেটা রক্ষা করেনি। এবারও হয়তো নতুন কোনো ফন্দি রয়েছে। কিন্তু আমরা সেই ফাঁদে পা দেব না। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই হতে হবে আগামী নির্বাচন। তবেই সেই ভোট অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, গণতান্ত্রিক নির্বাচনি ধারা নিশ্চিতে আমরা রাজপথে আন্দোলন করছি। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে এ আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।

আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বত্র আলোচনা চলছে। বিশেষ করে এ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করায় তা নতুনমাত্রা পায়। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সরকারের পক্ষ থেকেও বারবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে।

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে কারও কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু সেরকম একটা নির্বাচন কোন সরকারের অধীনে হবে তা এখনো সুরাহা হয়নি। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ অনেকেই মনে করছেন, বিদেশি চাপ এবং সরকারের আশ্বাসে আওয়ামী লীগের অধীনেই হবে সেই নির্বাচন। শেষপর্যন্ত বিএনপিসহ সব দল তাতে অংশ নেবে।

তবে বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারক যুগান্তরকে জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই জেনেশুনে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া হবে অনেকটা আত্মহত্যার শামিল। তাছাড়া দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরাও এ সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যেতে মত দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।