• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির পর থেকে লাপাত্তা চাঁদ, খুঁজছে পুলিশ

Reporter Name / ১৮০ Time View
Update : বুধবার, ২৪ মে, ২০২৩

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির পর থেকে লাপাত্তা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ। বিভিন্ন সময় নানা ধরনের বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে আলোচনা-সমালোচনায় থাকা প্রায় অর্ধশতাধিক মামলার আসামি চাঁদকে গ্রেফতারে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ। গত ছয় দিন ধরে তার কোনো নাগাল পাচ্ছে না আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা।

এদিকে চাঁদের এমন কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে চরম বিব্রতকর অবস্থায় স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা। ফলে চাঁদ দলীয়ভাবে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থার মুখেও পড়তে পারেন বলে জানান বিএনপির একাধিক নেতৃবৃন্দ।

জানা যায়, গত ১৯ মে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার শিবপুরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনের সময় সভাপতির বক্তেব্য জেলা বিএনপির সভাপতি আবু সাঈদ চাঁদ প্রধানমন্ত্রীকে কবরস্থানে পাঠাতে হবে বলে উদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দেন। এর পর চাঁদের সেই বেফাঁস বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ফুসে উঠে গোটা দেশে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী-সমর্থকরা।

পুঠিয়া ও নাটোর সদর থানাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় সন্ত্রাস দমনসহ বিভিন্ন অপরাধে একের পর এক হতে থাকে মামলা। ওই সব মামলায় চাঁদকে গ্রেফতারে মাঠপর্যায়ে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। তবে গত ছয় দিন ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে রয়েছেন চাঁদসহ তার একান্ত সহকারী চারঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক জালাল উদ্দিন। ফলে চাঁদের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেও তার নাগাল পাচ্ছেন না আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা।

এদিকে চাঁদের এমন বেফাঁস বক্তব্যে ইতোমধ্যে দুঃখ প্রকাশ করে বক্তব্য দিয়েছেন দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু।

বিষয়টি সম্পর্কে চারঘাট মডেল থানার ওসি মাহবুবুল আলম বলেন, ঘটনার পর থেকে তাকে গ্রেফতারে তৎপর রয়েছে পুলিশ। বিভিন্ন ইউনিটে কাজ চলমান রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে গ্রেফতার সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।