• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

রাজশাহীতে ১৩ বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, থাকছে না দর্শক

Reporter Name / ১৪২ Time View
Update : বুধবার, ১০ মে, ২০২৩

এক যুগেরও অধিক সময় পর (প্রায় ১৩ বছর) রাজশাহী শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান বিভাগীয় স্টেডিয়াম মাঠে গড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। দীর্ঘদিন পর মাঠে বল গড়ালেও অবশ্য দর্শকদের জন্য আছে দুঃসংবাদ।

জোরদার নিরাপত্তা বলয়ের কারণে গ্যালারিতে প্রবেশাধিকার থাকবে না কোনো দর্শকের। ফলে আন্তর্জাতিক ম্যাচ মাঠে বসে দেখার প্রতীক্ষা আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে রাজশাহীবাসীর। ভেন্যুকে ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা চোখে পড়ার মত। মাঠজুড়ে রয়েছে সিসি ক্যামেরাও।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানায়, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের যুবারা এই মাঠে ওয়ানডে সিরিজের তিনটি ম্যাচ ও একটি টি-টোয়েন্টি খেলায় অংশ নেবে।

আগামী ১১, ১৩ ও ১৫ মে তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আগামী ১৭ মে এখানেই দ্বিপাক্ষিক এ সিরিজের একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। সিরিজ দুটিকে ঘিরে এরইমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক রাজশাহীর ছেলে খালেদ মাসুদ পাইলট বেশ হতাশ দর্শকরা মাঠে বসে খেলা উপভোগ করতে পারবেন না বলে। তিনি বলেন, ‘রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ গড়াচ্ছে এটা আশার কথা। তবে দর্শকও চায় এই ম্যাচগুলো উপভোগ করতে। আমি যতটুকু শুনেছি নিরাপত্তার কারণে এত বছর পর অনুষ্ঠিত এই ম্যাচ দেখতে পারছে না রাজশাহীবাসী। এছাড়াও এই ম্যাচটি কোথাও সম্প্রচার হবে না। ফলে ভেন্যুখরা কাটলেও দর্শকখরা থেকে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তান আমাদের দেশের কাছে খুবই একটি সেনসিটিভ টিম। আমি যতদূর শুনেছি, বিসিবি এসব ম্যাচের আয়োজন করে। আর নিরাপত্তা বাহিনী নিরাপত্তা দেয়। নিরাপত্তা বাহিনী পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তার জন্যই মাঠে দর্শকের অনুমোদন দেয়নি। আমি বিসিবির সঙ্গে কথা বলেছি। অন্তত কিছু সংখ্যক পাসকার্ডের ব্যবস্থা করার জন্য, বিশেষ করে যারা খেলার সাথে সংশ্লিষ্ট। এতে করে নতুন তরুণ উদীয়মান খেলোয়াড়দের মনে আগ্রহ যোগাবে।’

এ বিষয়ে বিসিবির রাজশাহী ভেন্যু ম্যানেজার আরেফিন ইসলাম বলেন, ‘আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের যুব ওয়ানডে সিরিজ। এছাড়া একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচও হবে এই ভেন্যুতে।

কী কারণে দর্শক থাকছে না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। শুধু ম্যানেজমেন্ট আমাকে বলেছে দর্শক থাকবে না, এটুকুই জানি।’

রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার আনিসুর রহমান বলেন, ‘আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি। বিসিবির দিকনির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সকল নিরাপত্তা দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘দর্শক থাকা না থাকার বিষয়টি একমাত্র বিসিবির ব্যাপার। এটা তারা সিদ্ধান্ত নেবে। আপনারা মাঠে গেলেই বুঝতে পারবেন দর্শক বসার জায়গাটার কী অবস্থা। আমাদের পক্ষ থেকে শতভাগ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।